
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১বেডের হাসপাতাল।২০১৫ সালে ৫০ বেডে উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত হলেও রয়েছে আগেরই জনবলে।এই হাসপাতালটি পাশের উপজেলার বেশির ভাগ রুগিদের সেবা দিয়ে থাকে।বাহিরের উপজেলার রুগি অথবা নিজ উপজেলার রুগিরা বেড না পেলে আয়ার সর্দার নাসরিন কে ১০০/২০০ টাকা দিলে বেড দেন বলে জানা গেছে।হাসপাতালে কোন রুগি ডেলিভারী হওয়ার জন্য গেলে আগে তাকে আয়া নাসরিনের সাথে বকশিসের ব্যাপারে কথা বলতে হয়।বকশিস হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কোন আয়া রুগির গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পায় না।
হাসপাতালের সব জায়গায় নাসরিন আর নাইট গার্ড এর তেলেসমাতি। গোপন সূত্রে জানা যায় অফিসের কোন ফাইল উপর মহলে সহি করতে হলে আয়া নাসরিন ও নাইট গার্ড এর কাছে দেখা করে দেনদরবার করতে হয়।তারপর সেই ফাইল যায় উপর মহলে। আবারও গোপন সুত্রে যানা যায় আয়া নাসরিন এর মা চুয়াডাঙ্গা ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালের আয়া। এক সময় ঘুস দিয়ে বদলি সহ চাকরি দেওয়ার টাকা আদান প্রদান করতেন।এই নিয়ে বহুবার পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আবারও তার আরেক মেয়েকে ক্যাশিয়ার হয়ে নিয়োগ নিয়ে চাকরি করছে।
আবারও অনেক রুগি খাবার ব্যবস্থা না হলে নাইট গার্ড কে ৫০/১০০ টাকা বকশিস দিলে খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায়।এর আগেই কয়েক বার হাসপাতালের বিভিন্ন চুরি সহ বিভিন্ন অপকর্মে সাথে জড়িত নিউজ হওয়ার পরও নাইট গার্ড উপর মহলে দোঁড়ঝাপ করে অদৃশ্য কারনে বন্ধ হয়ে যায়।নাইট গার্ড এর আগে নাইট ডিউটি করা দেখা যায়নি।সে বিভিন্ন জায়গায় পরিচয় দিতো আওয়ামী লীগের চুয়াডাঙ্গা সেলুন মিয়ার খোদ লোক।
বর্তমান টিএইচও সাইফুল্লাহ রাসেল এর বিষয়টি নজরে গেলে বাধ্য হয়ে ডিউটি করে।বিষয়টি উপর মহলের সুদৃষ্টি দিয়ে সমাধান করার জন্য দাবী জানাচ্ছে এলাকা বাসী।