
গত ৫ নভেম্বর ‘আমাদের রাজশাহী’ সহ কিছু পত্রিকায় জাবের বাহিনীর ক্যাডার আমিনুল গ্রেপ্তার শিরোনামে সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে জাবের বাহিনীর কথা বলা হয়েছে। আমি মূলত মৎস্যচাষী এবং ব্যবসায়ী। ব্যবসা পরিচালনা করতে কিছু লোকজন দরকার হয় । তাতে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
আমি বিল লিজ গ্রহণ করি। জমির প্রকৃত হকদারদের সেচ সুবিধা সহ নগদ পয়সা দিয়ে থাকি। দুটি বিলে আমার শেয়ার আছে। বীরকয়া উত্তর ও দক্ষিণ বিল লিজ গ্রহণের বৈধ কাগজ পত্র আমাদের রয়েছে।
গত ৫ আগস্ট দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হলে পার্শ্ববর্তী গ্রামের আইয়ুব আলী আমার নিকট মোটা অংকের টাকা দাবী করেন। টাকা না দেয়ায় আমি সহ আমার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানের নামে হয়রানি মূলক চাঁদাবাজি মামলা দেয়। এমন কী আওয়ামী লীগ শাসন আমলে তাঁরা বাসুপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাষ্টার লুৎফর রহমানের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেন। লুৎফর রহমান সাহেব আ’লীগ সভাপতি নির্বাচিত হলে তাঁকে ফুলের ডালা দিয়ে বরণ করেন ( ছবি সংরক্ষিত )। তাঁরাই আবার আজ নব্য বিএনপি সাজার চেষ্টায় লিপ্ত।
কিন্তু গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় আবু সায়েম বাপ্পি, আশরাফুল ইসলাম, নূর ইসলাম, সিদ্দিক হোসেন, গয়ের আলী, হাসান আলী, আব্দুস সালাম , আলাউদ্দীন ,শাহাদ আলী, শামীম সহ আরও কয়েকজন চিহ্নিত দুষ্কৃতকারীরা দু’টি বিল জোর পূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন মাধ্যমে জবর দখল করেন। ভোররাতে মাছ ধরেন। আশপাশের আড়তে লুটকৃত মাছ বিক্রয় করে আসছেন ।
ঘটনার দিন আমার জামাতা মাছ বিক্রয় করে ফেরার পথে আশরাফুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন জামাতাকে মারধর ও ১ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। ফলে সেখানে ধস্তাধস্তি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।
আমার পরিবারের সদস্যদের নামে নানা অজুহাতে একের পর এক মামলা সাজানো হচ্ছে। প্রচার করা হচ্ছে আমার না কী বাহিনী আছে। সংবাদ কর্মী ভাইদের দিয়ে বাহিনীর কালিমা লেপন করানো হচ্ছে।
আর আমিনুল ইসলাম বর্তমানে বাসুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। তিনি যদি খারাপ প্রকৃতির লোক হতেন, তাহলে জনগণ তাঁকে ভোট দিতেন না। এছাড়াও একদিন পর মহামান্য আদালত তারঁ জামিন মন্জুর করেছেন।
সংবাদকর্মী ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আপনারা সত্য তুলে ধরুন। আপনারা সমাজ তথা দেশের দর্পণ। যার যেটা নেই, সেটা প্রচার করলে সৃষ্টি কর্তার নিকট হিসেব দিতে হবে। আমি যদি কোন মারামারি বা চাঁদাবাজি করে থাকি তা আপনারা তুলে ধরুন।
আমি কী প্রকৃতির লোক তা যে, কোন তদন্তে সত্য বের হয়ে আসবে। আমি ব্যবসায়ী হিসেবে অনেকটা সফল। বিভিন্ন মৌসুমে অসহায়, দরিদ্র মানুষকে দান,খয়রাত, চক্ষু শিবির, বস্ত্রদান করে থাকি। যার কারণে অনেকে মনে করেন, আমি বাসুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করবো। এ সমস্ত দিক দেখে একটি অসাধু চক্র সর্বদা আমার পিছে লেগে আছে।
কোন দিকে না পেরে, আমার আর্থিক, সামাজিক, পারিবারিক ক্ষতির মানসে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত তথ্য প্রদান করে সাংবাদিক ভাইদের দিয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করিয়ে নিচ্ছে সার্থান্বেষী মহলটি। কাজেই এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী-
মো: জাবের আলী
গ্রাম- মন্দিয়াল
বাগমারা, রাজশাহী।