
নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালার চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামে পাহাড় কাটতে বাধা দেওয়ায় এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত শিক্ষার্থী ওই এলাকার মোঃ ইউনুছের ছেলে রহিম উল্লাহ। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড চেয়ারম্যান পাড়া গ্রামের মৃত হাজী রকিম আলীর ছেলে মোহাম্মদ ইউনুছের ২৭০ নং মৌজার ২৪১ নং খতিয়ানের অন্দরে মাতা খিলা পাহাড় হইতে মাটি কেটে ডাম্পার যোগে অন্যত্রে নিয়ে যাচ্ছিল স্থানীয় প্রভাবশালী, নুর আলমের ছেলে বেলাল,আরিফ উল্লাহ, ফোরকান সিন্ডিকেট। এতে জমির মালিক বাধা দিলে তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে।
এতে নিরুপায় হয়ে জমির মালিক স্থানীয় মেম্বার সহ গণমান্য ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হইলে, তাদের বাধার মুখে কিছুদিন পাহাড় বন্ধ রাখলেও সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় জমির মালিক মোঃ ইউনুছের ছেলে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র মোঃ রহিম উল্লাহ প্রশাসনকে অবহতি করার উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করতে গেলে, বেলাল গংরা তাদের হাতে থাকা সাবাল লাঠি সুটা নিয়ে রহিম উল্লাহকে বেদম মারধর করে এসময় তার ব্যবহারিত মোবাইলটি ছিনিয়ে নে। রহিম উল্লাহ’র শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে আহত অবস্থায় পাহাড় কাটায় জড়িত সালাউদ্দিন তার ব্যবহারিত মোটরসাইকেলে তুলে আহত রহিম উল্লাহকে তার বাড়ির সামনে পেলে চলে যায়। সেখান থেকে তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় তার আত্মীয়-স্বজনরা উদ্ধার করে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
সেখানে অবস্থা অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে আহত রহিম উল্লাহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানান তার পিতা মোঃ ইউনুছ। এ বিষয়ে আহত এর পিতা মোঃ ইউনুছ বাদী হয়ে পরিবেশ রক্ষায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এবং মারধর ও মোবাইল ছিনতাই এর বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এসআই মোঃ ইউসুফ জানান, বাদীর অভিযোগ পেয়েছি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।