
রায়পুর স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জমি বিরোধের মীমাংসা চেয়ে থানায় অভিযোগ করায় লালখাঁগো বাড়ির সফিক নামের এক বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই বাড়ির শহিদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। বাকি অভিযুক্তরা হলেন, মোঃ সিরাজ (৫৮), মোঃ জহির (৩৫), মোঃ ফরিদ (৩৫)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ৮ আটার দিকে ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সোহাগের চায়ের দোকানের সামনে এঘটনাটি ঘটে। এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সফিক (৬০) বলেন, আমি বাড়িতে যাওয়ার পথে সহিদ আমার পথ রোধ করে থানায় কেন অভিযোগ দিয়েছি বলে আমাকে বেধম মারধর করে এবং আমার গলা চেপে ধরে প্রাণনাশের চেষ্টা করে। প্রতিপক্ষ আমার চাচাতো ভাই হয়। তাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমাদের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটি টিনের ভেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয় তারা। স্থানীয়ভাবে এর কোন সমাধান না পেয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। থানায় কেন অভিযোগ দিয়েছি পুলিশ কী করবে বলে পুলিশের পেশাকে নিয়ে নানাধরণের কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ করে আমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। আমি চিৎকার করলে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আমি এর উপযুক্ত বিচার দাবী করছি।
এবিষয়ে একই বাড়ির রুহুল আমীন এবং বাবুল বলেন, বাড়ির চলাচলের রাস্তাটি প্রায় দেড়শত বছরের পুরনো। অংশীদারত্বের জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় প্রতিপক্ষ চলাচলের রাস্তাটি টিনের ভেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় সফিক ন্যায় বিচার পেতে থানায় অভিযোগ দেয়। এর জন্যই রাতের আঁধারে সফিককে একা পেয়ে মারধর করে হত্যার চেষ্টা চালায়।
মোঃ ইয়াসিন নামের এক প্রতক্ষদর্শী বলেন, থানায় কেন অভিযোগ দিলি? পুলিশ কী করবে বলে শফিক জেটাকে গলা চেপে মেরে ফেলার চেষ্টা করে শহিদসহ আরও কয়েকজন।
চলাচলের রাস্তা বন্ধের বিষয়ে ওই বাড়ির আনোয়ারের স্ত্রী বলেন, রাস্তাটি আমাদের মুরুব্বিরা মানবতা দেখিয়ে তাদেরকে চলাচলের জন্য দিয়েছিল এখন আমরা নিজদের প্রয়োজনে বন্ধ করে দিয়ছি।
মারধরের বিষয়ে জানতে শহিদকে মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তার ছেলে কল ধরে বলেন, মারধরের বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আব্বা বাড়িতে মোবাইল রেখে গেছেন।এ বিষয়ে রায়পুর থানার এএসআই সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।