
চট্টগ্রামে ১৭ নভেম্বর শুক্রবার মধ্যরাত হতে দিন ব্যাপী হাল্কা থেকে ভারি বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের পানি প্রবেশ করার ফলে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ততম ও জনবহুল এলাকা চকবাজার ১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়ার একাধিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।নিচু এলাকায় বিভিন্ন বাসায় ও দোকানপাটে ডুকে পরেছে খালের দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা পানি।
সরেজমিনে ঘুঁরে দেখা যায়।
নগরীর চকবাজার কাঁচা বাজার মোড়, ফুলতলা,বড়মিয়া মসজিদ সড়ক, বাকলিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সড়ক,সৈয়দ শাহ রোড,ওয়াপদা সড়ক ও রসুলবাগ আবাসিক খালপাড় সড়কের আবাসিক এলাকার উত্তর ও দক্ষিণের একাধিক অলি গলি পানিতে নিমজ্জিত। আশপাশের কলোনিতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের ধির গতি ও খালের বর্জ্য অপসারণ দায় সিডিএ,চসিক ও জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত থাকা সংস্থা একে অপরের উপর দায় চাঁপিয়ে দায়িত্ব অবহেলার মাসুল গুনছেন নগরীর সব ধরনের সরকারি টেক্স পরিশোধ করা সাধারণ বাসিন্দারা।
দীর্ঘ দিন খালে জমে থাকা ময়লা বর্জ্যের ফলে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ও বৃষ্টির পানি চলে চলে বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এই সব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় সেই সাথে ঐ সব ময়লা বর্জ্যের কারনে ডেঙ্গু মশার প্রজনন হয়ে এলাকায় ছড়িয়ে পরে নানা রকম রোগ জীবাণু সহ পানি বাহিত রোগ।এই সব বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে একাধিক বার জানিয়ে কোন প্রতিকার পায়নি স্থানীয় এলাকাবাসী। এই বিষয়ে চসিকে’র সচিব আবুল হাশেমের সাথে যোগাযোগ করলে হোয়াটসঅ্যাপে তিনি জানান এই সব কাজ নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের দায়িত্বে,চসিক কতৃপক্ষের নয়। উল্লেখ্য যে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ যথা সময়ে সম্পন্ন না হওয়ায়, চাক্তাই খালের মুখে নির্মিত রাবার সুইচ গেইট চালু খুলে না দেয়ায় নগরবাসীকে প্রতিনিয়ত জলাবদ্ধতার সন্মুখীন হতে হচ্ছে।