
ফরিদপুরের সালথার গোপালীয়া এলাকায় ইয়ার আলী (৫৫) নামের একজনকে হত্যার ঘটনায় পলাতক প্রধান আসামি হাফিজুর রহমানকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০। শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে জেলার কোতোয়ালী থানাধীন ভাংগা রাস্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শনিবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার।
র্যাব জানায়, চলতি বছরের ১১ আগস্ট রাতে ফরিদপুর জেলার সালথা থানাধীন গোপালীয়া এলাকায় বসবাসকারী মো. ইয়ার আলীর (৫৫) ওপর একই এলাকায় বসবাসকারী হাফিজুর রহমান (৩৫) ও তার অন্যান্য সহযোগীরা জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তাকে মারধর করার পাশাপাশি তাদের হাতে থাকা রামদা, ছেনদা, কাতরা, লোহার শাবল, লোহার রড ও লাঠি-সোটা ইত্যাদির আঘাতে ইয়ার আলীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এসময় ইয়ার আলীর কাছে থাকা ৬ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
র্যাব আরও জানায়, মারধরের একপর্যায়ে ইয়ার আলীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। সংবাদ পেয়ে ইয়ার আলীর ছেলে রাসেল শেখসহ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইয়ার আলীকে মুমূর্ষু অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক ইয়ার আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান ইয়ার আলী। এ ঘটনায় মৃত ইয়ার আলীর ছেলে রাসেল শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর জেলার সালথা থানায় প্রধান আসামি হাফিজুরসহ ১৫ জন এবং অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিআই/এসকে