
গত ৫ই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের সংবাদে আন্দোলনকারিদের ভিতরে ঢুকে কতিপয় দুষ্কৃতকারী থানাসহ সরকারি দপ্তরের ভাঙচুর লুটপাট ও পুলিশের উপর আক্রমণ চালায়।এই ঘটনায় গত ১০ অক্টোবর পুলিশ বাদী হয়ে নবীনগর থানায় ১০০০ থেকে ১৫০০ অজ্ঞাত নামীয় আসামী দিয়ে মামলা করে। ওই মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য নাছিরকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এ ছাড়াও আওয়ামীলীগের আরো ৫ নেতাকে এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হলেন, কাইতলা ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত আলী,কৃঞ্চনগর ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মলাই মিয়া,ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম অনিক,জিনদপুর ইউপি সাবেক মেম্বার বিল্লাল হোসেন,লাউরফতেহ্ পুর ইউনিয়নের মেম্বার নছর মিয়া। গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মোহাম্মদ শামিম।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনর্চাজ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন,ওইসব সহিংস ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে ধারণা করা হচ্ছে। অনুসন্ধান চলছে এ সকল ঘটনায় যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের গ্রেফতার করা হবে।