ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
টিআরসি নিয়োগে দালালমুক্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার আশ্বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ

ঝিকরগাছায় ব্যালটের মাধ্যমে বিএনপির কমিটি গঠন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর ব্যালট পেপারে ভোটের মাধ্যমে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির কমিটি নির্বাচন হয়েছে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ঝিকরগাছা বদরুদ্দিন মুসলিম (বিএম) হাই স্কুলে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিনটি পদে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি পদে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানা, সাধারণ সম্পাদক পদে ইমরান হাসান সামাদ নিপুন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মুরাদুন নবী মুরাদ ও কাজী আব্দুস সাত্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ফলাফল ঘোষণা করেন।

সভাপতি পদে বিজয়ী সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ৪৩৭ ভোট ও নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোর্তজা এলাহী টিপু পেয়েছেন ২৯০ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী ইমরান হাসান সামাদ নিপুন পেয়েছেন ২৬২ ভোট ও বিজীত খোরশেদ আলম ২৪৩ এবং আশফাকুজ্জামান খাঁন রনি পেয়েছেন ২২৩ ভোট।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রথম বিজয়ী মুরাদুন নবী মুরাদ পেয়েছেন ৩৬৮ ভোট, দ্বিতীয় বিজয়ী কাজী আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ৩৪৩ ভোট। এ ছাড়া গোলাম কাদের বাবলু ২৯৯, এনামুল হক ২২৯ এবং শাহিন আহম্মেদ ১৩৮ ভোট পেয়েছেন।

গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের জন্য উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৭৮১ জন কাউন্সিলর ছিলেন। এবারের নেতা নির্বাচনে সভাপতি পদে ২ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ জন ও ২টি সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দুটি প্যানেলের একটি প্যানেলে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৮ জন এবং আরেকটি প্যানেলে সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুজন অংশ নিয়েছেন।

শেয়ার করুনঃ