এম,শাহজাহান শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ শেরপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গাছ পরিচর্যাকর্মি গাছিরা। দির্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা খেজুর গাছগুলো শীতের শুরুতে কদর বাড়ছে। গাছিরা খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করার জন্য প্রাথমিক প্রস্ততি শুরু করেছেন। প্রাথমিক পরিচর্যার কিছুদিন পরেই গাছে আবার চাছ দিয়ে নলি ও গুছা লাগানো হবে। খেজুর গাছ থেকে রস বের করতে যাবতীয় করনীয় কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। শীতের সকালে গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে অনেককে খেজুরের রস বিক্রি করতে দেখা যাবে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, গাছিরা রাস্তার পাশে থাকা গাছ চাছায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর কিছু দিন পরেই এই বৃক্ষ থেকে সুমধুর রস বের করা হবে। শুরু হবে গ্রামের ঘরে ঘরে গুড়, পাটালি, তৈরির উৎসব। সুস্বাদু পিঠাপুলির জন্য খেজুরের রস গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হওয়ায় এর চাহিদা অনেকটা বেড়ে যায়। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য এই খেজুর গাছ আজ অবহেলায় অজান্তে প্রায় বিলুপ্তির পথে। যে পরিমানে খেজুর গাছ নিধন হচ্ছে সে তুলনায রোপন করা হচ্ছে না ফলে গ্রামাঞ্চলে আগের মতো খেজুর গাছ চোখে পড়েনা। উল্লেখ্য; খেজুরের রস জ্বালিয়ে পিঠা,পায়েস, মুড়ি, মোয়া ও নানা রকমের খাবার তৈরি করার ধুম পড়বে কদিন পরেই। আর রসে ভেজা বিভিন্ন ধরনের পিঠার স্বাদই আলাদা প্রতি বছরের ন্যায় এবারও গাছিরা শীতের শুরুতেই খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পরেছে। শীত শুরু হওয়ার সাথে সাথে খেজুর গাছ কাটার প্রতিযোগিতায় গাছিরা খেজুর গাছ পরিস্কার করার জন্য গাছি দা, পাটের দড়ি, মাটির কলস, বাঁশের চটি ব্যবহার করে থাকেন। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ঔষধি ও ফলজ গাছ না কাটাই ভালো। অনেকেই উপকারী গাছ কেটে বিক্রি করছে, যা পরিবেশ ও মানুষের নানা ক্ষতি হয়ে থাকে। কেউ একটি গাছ কাটলে দশটি চারা রোপন করুন, জলবায়ু, মানুষ ও পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসুন।