
রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কে সংঘবদ্ধ কয়েক যুবক মিয়ানমারে বিভিন্ন প্রকার মালামাল নেওয়ার সময় গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় অনেকে জানান, বেশ কিছু দিন ধরে শহিদুল্লাহ ও জাহেদ উল্লাহসহ কয়েক জন যুবক সড়কের দোছড়ি দোকানসহ ৪টি পয়েন্টের বিভিন্ন স্থানে বসে ঐ সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রকাশে বিভিন্ন পন্য মিয়ানমার সীমান্তে নেওয়ার পথে পুলিশের নামে প্রতি টমটম ও সিএনজি গাড়ি থেকে ৫ শত টাকা হারে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রাজেশ বডূয়া অস্বীকার করে এ প্রতিবেদককে বলেন পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা নেওয়ার বিষয়ে আপনার কাছ থেকে শোনলাম। তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন এ প্রতিবেদককে।
অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একদিন টাকা তুলেছি এখন আমি তুলি না? জাহেদ নামের এক যুবকসহ আরো কয়েক জনের টাকা তুলে। এ বিষয়ে
জাহেদ উল্লাহকে একাধিক মোবাইল করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।