ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’
৪০ বছর পরে গুণীজন সংবর্ধনা
নেত্রকোনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের জেলা কমিটির পরিচিতি ও কর্মপরিকল্পনা সভা
পটুয়াখালীতে কারারক্ষীর জানাজায় উপস্থিত হলেন অতিরিক্ত কারা মহা পরিদর্শক
পূর্ব মালঞ্চ মধ্যপাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠন :সভাপতি হাসান, সম্পাদক লতিফ
সীমান্তে বাংলাদেশী ভেবে বিএসএফের গুলি ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু
নৌকার উপর গান বাজিয়ে অস্ত্র প্রদর্শন-নাচানাচি: সেনা অভিযানে ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক
শ্রীনগরের কুকুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র ঈদ পুনর্মিলনী

কলাপাড়ায় ভূমিহীন ১৩৬ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবীতে মানববন্ধন

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। কলাপাড়ায় ভূমিহীন ১৩৬ পরিবারের পুনর্বাসনের দাবীতে বি’ক্ষো’ভ ও মা’নব’ব’ন্ধ’ন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় পায়রা বন্দরের সামনে এ বি’ক্ষো’ভ ও মানববন্ধন করেন। এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে বক্তব্য রাখছেন লাইলি বেগম, শাহিনুর বেগম, রাজিয়া বেগম, সালেয়া বেগম, আকি বেগম, ফাতেমা বেগম, ফিরোজা বেগম , আনসার প্রমুখ

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানা গেছে, এর আগে গত শুক্রবার ভূমিহীন এ পরিবারগুলোকে উচ্ছেদকালে তাদের পুনর্বাসনের দাবীতে বিক্ষোভের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি কোন ধরনের ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন দেয়নি। বরং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ করতে আসে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।পরে ভূমিহীন পরিবারের একটি দল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে দেখা করে তাদের পুনর্বাসনের আগে উচ্ছেদ না করার দাবী জানান। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন যে, “জিয়া কলোনি সংলগ্ন ১৩৬ পরিবার উচ্ছেদ করে রাস্তা নির্মাণে উপজেলা প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ থাকে।ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, আমাদেরকে উচ্ছেদ করা হলেও কোন ধরনের ক্ষতিপুরন বা পুনর্বাসন করা হবে না বলে আমরা জানতে পেরেছি। এই পরিস্থিতিতে মাথা গোজার শেষ আশ্রয় হারালে আমাদের জীবন ধারণ সম্পূর্ণভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।উচ্ছেদের পরে আমরা কোথায় থাকবো কি করবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।

শেয়ার করুনঃ