ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
যৌথবাহিনীর অভিযানে সাতদিনে গ্রেফতার ৩৪১
এসো আমরা ঈদের আনন্দের সাথে নিজেরা নিজেদের অবস্থান তৈরি করি-ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সালেহী
কলাপাড়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক নিখোঁজের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
নওগাঁয় ধানখেতে গলিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মুলহোতা গ্রেপ্তার
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ি কন্যা পর্যটন লেকে ঈদে ১৬ বছরের রেকর্ড পর্যটকের ঢল
বাঁশখালীতে টানা ৪১ দিন জামাতে নামাজ আদায় করা ১৭ শিশু-কিশোর সাইকেল উপহার
আত্রাইয়ে ঈদের চতুর্থ দিনেও সাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশনজুড়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬

শহীদ সাগরের রেজাল্ট শুনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা-বাবা

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পটুয়াখালীর গলা‌চিপার উলা‌নিয়া হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের এইচএস‌সি পরীক্ষারা সাগর গাজী ৩ পয়েন্ট ৯২ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ছেলের রেজাল্ট পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাগরের মা শা‌হিদা বেগম।তিনি জানান, তার ছেলে বেচা থাকলে রেজাল্ট পেয়ে অনেক খুশি হতো। ছেলে বলতো একসময় সেই পরিবারের হাল ধরবে।পরিবার নিয়ে কত কথা বলতে সে পড়াশোনা শেষ করে সাগর ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখত বলেও জানান তিনি।সাগরের বাবা সিরাজুল ইসলাম গাজী পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ও মা সাহিদা বেগম গৃহিণী। সাগর তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। সে ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলার উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়। ২০২৩ সালে একই কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে
একটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পারে নাই। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সেই বিষয়ে অংশ নেন সাগর। নিহতের দুই মাস আগে উত্তরা এলাকায় সিটি অনলাইন কোম্পানিতে চাকরিতে যোগদান করে।
কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয় কর্মী ছিল সাগর। মৃত্যুর একদিন আগে তার ফেসবুকের প্রোফাইলে পোস্ট দিয়েছিলেন, ‘আজ যদি আমি মারা যাই, বিজয়ের পর আমার কবরে একটা পতাকা দিয়েন।’ তার শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী, তার কবরের সামনে টানানো হয়েছিল জাতীয় পতাকা।নিহত সাগ‌রের রেজাল্ট পেয়ে খুশি তার বড় ভাইও। কিন্তু শোকাহত প‌রিবে‌শে স্তব্ধ হয়ে আছেন তিনি। সাগরের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেলো। এ সময় আবেগাল্লুত হয়ে
ভাই হত্যার বিচার চান তিনি।একই অবস্থা সাগরের শিক্ষক ও সহপাঠীদেরও। এ সময় তারা সাগরসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মারা যাওয়া সকলের হত্যার বিচার চান। এই হত্যার বিচার না হলে শহীদের রক্তের সঙ্গে অবিচার করা হবে বলেও মন্ত্য করেন তারা।

শেয়ার করুনঃ