
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বহাল তবিয়তে আছেন।
অনুসন্ধানের জানা যায়, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অশুভ আচরণের অভিযোগে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ।
২০২৩ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র ও শিক্ষকদের ডিউটির প্রায় ৭ লক্ষ টাকার আত্মসাতের অন্যতম হুতাও ছিলেন তিনি। তিনি সকল কেন্দ্র কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এ নিয়ে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও আইসিটি শাখা থেকে তদন্ত চলমান রয়েছে।
এছাড়া সম্প্রতি স্থানীয় এক মাদ্রাসা শিক্ষক তানিম হোসেনের সাথে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষা কর্মকর্তার উপর। মৌলানা আসাদ আমী ডিগ্রী কলেজের দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ায় ওই শিক্ষকের ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করেন ওই শিক্ষা কর্মকর্তা। নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্ষা না করেন না তিনি ।
ছাতিয়াইন বিশ্বনাথ হাই স্কুল এন্ড কলেজের অর্ধ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দামা চাপা দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেন ।
এছাড়া জগদীশপুর জেসি হাইস্কুলের ফান্ডের অর্থ আত্মসাতের তদন্তে ঘুষ নিয়ে ভুয়া প্রতিবেদন দেন এবং আত্মসাৎকারীদের বাঁচিয়ে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি উপজেলা শিক্ষা অফিসের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের দাওয়াত না দেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাধবপুরে কর্মরত বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ । মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক ত্রিপুরারী দেবনাথ বলেন উনাকে ফোন দিলেও উনি ফোন রিসিভ করেন না ।
এসব অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিক ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এ ব্যাপারে জানতে হবিগঞ্জের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল্লাহ বলেন, আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ আসেনি। আসলে অবশ্যই আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।