
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাঙ্গুনিয়ার অনন্য দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইক্বরা তাহফিজুল কুরআন ও নুরানী একাডেমির সবক প্রদান ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাঙ্গুনিয়া চন্দ্রঘোনা লিচুবাগানে অবস্থিত ইক্বরা তাহফিজুল কুরআন ও নুরানী একাডেমির হলরুমে ফেরিঘাট জামে মসজিদের ঈমাম ও খতিব মাওলানা কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বনগ্রাম হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মুফতি মাহবুবুর রহমান।প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রঘোনা ইউনুছিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও চুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা সৈয়দ করিম।একাডেমির শিক্ষক মাওলানা মুহসিন বিন ক্বদীমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া চন্দ্রঘোনা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মুফতি ইমরান,ব্রম্মোত্তর ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা মো: ইসমাইল,হাফেজ মাওলানা তসলিম ও মাওলানা খোরশেদুল আলম প্রমুখ।
শিক্ষার্থীদের সবক প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান মেহমান চন্দ্রঘোনা ইউনুছিয়া মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের সাবেক শিক্ষক ও চুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা সৈয়দ করিম।তিনি তার বক্তব্যে মাদরাসার অগ্রযাত্রায় শিক্ষকদের আন্তরিকতাপূর্ণ পাঠদান ও অভিভাবকদের সহযোগিতার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
২০২৪ শিক্ষাবর্ষে মাদরাসার দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষায় (হিফয ও নূরানী বিভাগ) এর মেধা তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ও হামদ নাত এবং ক্বিরাত তিলাওয়াতক্বারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।এসময় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ ও অভিভাবকগণ আন্তরিকতাপূর্ণ ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতার অনুভুতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীদের সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত, বাংলা, আরবী, ইংরেজি বক্তব্য সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তাদের নানা পরিবেশনা ছিল মুগ্ধ করার মতো।এ সময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও শুভার্থীদের স্বত:স্ফুর্ত উপস্থিতি কুরআনের আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তুলে। অনুষ্ঠানে মাদ্রার পরিচালকগণসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে যাত্রা করে ইক্বরা তাহফিজুল কুরআন ও নুরানী একাডেমি। এখানে হিফযুল কুরআনের পাশাপাশি নূরানী বিভাগ ও জেনারেল বিষয়েও পড়াশোনা করানো হয়। প্রতিষ্ঠার মাত্র ১ বছরে শিক্ষাদীক্ষা, ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কৃতিত্ব দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ইক্বরা তাহফিজুল কুরআন ও নুরানী একাডেমির দ্বীনি শিক্ষা বিস্তারে মাইল ফলক ভূমিকা রাখবে, এমনটি প্রত্যাশা সবার।