
পুলিশ বাহিনীতে যারা এখনো কাজে যোগদান করেনি তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো.ময়নুল ইসলাম।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বেশকিছু পুলিশ কর্মকর্তা এখনো কাজে যোগদান করেননি,অনেকেই পালিয়ে দেশের বাইরে চলে গেছেন, তাদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন,পালিয়ে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন সব জায়গায় আমরা ফেস করি। যারা বিভিন্ন মামলায় আসামি হয়েছেন,যেসব সদস্যের মধ্যে যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছি এমন ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা কর্মস্থলে যোগ দেননি তারা হয়তো মামলার কারণে কিংনা অন্য কারণে যোগদেননি৷
তিনি বলেন,সোয়া দুই লাখ পুলিশ বাহিনীর মধ্যে ১৮৭ জন অনুপস্থিত এই সংখ্যাটি কম। এটি যেকোনো সময় গড় হাজির হতে পারে। যারা কাজে যোগদান দেননি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় (অ্যাকশন) ব্যবস্থা শুরু হয়েছে। তাদেরকে নোটিশ করা হয়েছে। তারা যদি না আসে আমাদের অবস্থা ক্লিয়ার,তাদেরকে চাকরিতে রাখার সুযোগ নেই।
সম্প্রতি অডিট ভবনের সামনে পুলিশ সদস্যদের নিস্ক্রিয়তা এবং প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে সরকারি চাকরিতে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনে পুলিশ সদস্যদের নমনীয় মনোভাব ছিল। এই অবস্থায় সারাদেশে পূজা মণ্ডপ কতটুকু নিরাপত্তা দিতে সক্ষম বলে মনে করেন।
এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন,ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের ৪৪ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। বাহিনীর ভেতরে নিচের দিকের সদস্যদের একটা বক্তব্য ছিল। যার প্রেক্ষিতে রাজারবাগেও এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে হারানো মনোবল ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে পুলিশের সকল সদস্য কাজ করছে৷ পুরোনো কিছু সদস্য ছিল যাদের পূর্বের মনোভাব বজায় ছিল এ কারণে তাদেরকে সরিয়ে নতুন জনবল নিয়োগ দিয়েছি৷
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন পুলিশের বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা। পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছিল,১৮৭ জন পুলিশ সদস্য এখনো কাজে যোগদান করেনি।
ডিআই/এসকে