ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়ন আ’লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গ্রেফতার
কলমাকান্দায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার পলাতক অলি আহমেদ
নেত্রকোণা সরকারী কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
ভারতীয় মিডিয়া গুজবে চ্যাম্পিয়ন:স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
জিয়ার শ্রদ্ধা স্মারক সরিয়ে ফেলার অপকর্মে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনুন:জাসাস
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র সাথে ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)’র প্রতিনিধি দল উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

ডব্লিউএফপি পার্বত্য চট্টগ্রামে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ২৫ হাজার উপকারভোগীর মাঝে মাল্টিমিনারেল সমৃদ্ধ কার্নেল দানা মিশ্রিত খাবার সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করতে চায়। কার্নেল খাদ্যের মানকে সমৃদ্ধ করে, যার মধ্যে থাকবে প্রচুর মাল্টিমিনারেল শক্তি। প্রতিনিধি দল জানান ১০০ গ্রাম চালের মধ্যে দশটি দানা কার্নেল মিশ্রণ করে খিচুরি তৈরি করা হলে এ খাদ্য মাল্টিমিনারেল শক্তিসমৃদ্ধ খাদ্যে পরিণত হবে। যার মধ্যে পাওয়া যাবে প্রচুর আয়রন ও আয়োডিনসহ অন্যান্য উপাদান। ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে পার্বত্য উপদেষ্টাকে অবহিত করেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে এ পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ডব্লিউএফপিএ’র প্রতিনিধি দল এ সংক্রান্ত বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপদেষ্টার সহযোগিতা চান।

উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা ডব্লিউএফপি’র এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষ বাস করে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য্য উপভোগ ও সেখানকার মানুষের চাহিদা না বুঝে কোনো প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে যেসকল পাড়া সেন্টার রয়েছে, সেগুলো পরিদর্শন করে সেখানকার গর্ভবতী নারী, কিশোরী ও শিশুদের কার্যক্রম, ছাত্র-ছাত্রী, এবং ওখানকার মানুষ দুযোর্গ মোকাবিলা কীভাবে করছে তারও পর্যবেক্ষণের দরকার আছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা ও সাবেক রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা। ডব্লিউএফপি’র এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং দু‌যোর্গ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করার পরামর্শ দেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. ডমেনিকো স্ক্যালপ্যাল্লি’র নেতৃত্বে এসময় ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের সিনিয়র পার্টনারশীপস এডভাইজার মো. মহসিন, হেড অব ফিল্ড অপারেশন মিজ হাফিজা খান, প্রোগ্রাম পলিসি অফিসার মিজ মাসিং নেওয়ার ও হেড অব ডব্লিউএফপি সাব-অফিস রাঙ্গামাটির প্রোগ্রাম অফিসার মিজ ইলোরা চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুনঃ