
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নাইক্ষ্যংছড়ি ও আশপাশের কয়েকটি বাজারে সবজি ২/৩ গুণের বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যাতে করে এখানকার শতশত ভোক্তা সাধারণের মাঝে নাভিশ্বাস উঠেছে বর্তমানে।
বৃহস্পতিবার ( ৩ অক্টোবর) দুপুরে সরেজমিন নাইক্ষ্যংছড়ির সদর বাজার ও পার্শ্ববর্তী রামুর গর্জনিয়া বাজারে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখেন এ প্রতিবেদক।
ভোক্তা আলি আকবর ও মাস্টার ফয়জুল হাসান জানান,তরকারী উৎপাদনের জন্যে দেশে গর্জনিয়া বাজারের সুখ্যাতি রয়েছে।
তবে এর আঁচ ধরিয়েছে সীমান্ত চোরাকারবারীরা। তারা বেশী দামে পণ্য ক্রয় করে আরো বেশী দামে সীমান্ত ঘেষা মিয়ানমারের ব্যাঙঢুলা বাজারে বিক্রি করছে। যার ভোক্তা সে দেশের একটি বিদ্রোহী গোষ্টি।
সূত্র আরো জানান,
বর্তমানে দেশের সব বাজারে নিত্যপণ্যের
মূল্য একদর। আর প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষি উৎপাদনে অনন্য ককসবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তবাসীর একমাত্র সাপ্তাহিক হাট গর্জনিয়া বাজারের দর দ্বিগুন থেকে তিন গুন ।
এ বাজারের চতুর্পাশে কৃষি ক্ষেত রয়েছে হেক্টরের পর হেক্টর । অথচ এখানে ১০০ (একশত) টাকার নিচে কোন সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। পাশের চরের উৎপাদিত বেগুন বিক্রি হচ্ছে একশত টাকা। এভাবে ঝিঙ্গা,চিচিঙ্গা,ঢেঁড়স সহ সবজি শত টাকায় বিক্রি হয়। একই অবস্থা নাইক্ষ্যংছড়ির সব বাজারে।
এ ছাড়া দেশী মুরগী,ডিম,মাছ,খাদ্য সামগ্রীর মূল্যও আকাশচুম্বী। অকটেন,ভোজ্যতেলসহ সব দ্রব্যাদির অবস্থা আরও কাহিল।
তাদের সরাসরি কথা হলো,এ সব পণ্য মিয়ানমারে পাচার হওয়ায় এসব বাজার সমূহে দ্রব্যমূল্যের এ অবস্থা।
এ বিষয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনগন এ বাজার সমূহের যাবতীয় পণ্য মিয়ানমারে পাচার বন্ধে জোর দাবী জানান।