
থানায় অভিযোগ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন করেও জমি সংক্রান্ত বিরোধের সুরাহা পায়নি পটুয়াখালীতে এক অধ্যক্ষ’র স্ত্রী। সুত্রে জানা গেছে,
পটুয়াখালী পৌর শহরের সবুজবাগ নিবাসী মোসাঃ মাজেদা বেগম’র ভোগদখলীয় জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া জোর পূর্বক ফ্লিমি স্টাইলে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে দিবালোকে তার গাছ পালা কেটে ক্ষতি সাধন করে এবং সিমানা প্রাচীর নির্মাণ অব্যহত রেখেছে শান্তি বাগের মোঃ ফোরকান আহমেদ গং।
সুত্রে আরও জানা গেছে, ২৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ২০২৪ ইং সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা গেছে মোসাঃ মাজেদা বেগম’র জমিতে জোর পূর্বক ইত্যাদি নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন মোঃ ফোরকান আহমেদ গংরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাদের এহেন কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞত মহলে তাদের ক্ষমতার উৎস কি? এনিয়ে নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। মোসাঃ মাজেদা বেগম’র পক্ষ থেকে এ বিষয় লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দফায় দফায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দিলে তারা ঘটনা স্হলে পরিশর্দনে আসলে মোঃ ফোরকান আহমেদ গংরা সাময়িক সময়ের জন্য আত্নগোপনে চলে যায়।এ যেন চোর পুলিশ খেলা খেলছেন তারা। উক্ত তারিখ থেকে তারা দিন রাত সমানতালে তাদের নির্মাণ কাজ এ পর্যন্ত চলমান রেখেছেন বলে জানা যায়। এছাড়াও জানা গেছে তাদের নির্মাণ কাজের জন্য পটুয়াখালী পৌরসভা কর্তৃক কোনও প্রকার অনুমোদন পাশ পর্যন্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মোঃ ফোরকান আহমেদ’র কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদক কে প্রথমে বলেন ২০ বছর আগে উক্ত স্হানে তিনি জমি ক্রয় করেছেন, পুরাতন ওয়াল সংস্কার করা হচ্ছে মাত্র,আপনার সাথে বাবলুর কথা হয়েছে না, আপনি কোন প্রত্রিকার সাংবাদিক এই বলে তিনি তার মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। বিষয় জানতে পটুয়াখালী পৌরসভার বর্তমান প্রশাসক এর মুঠোফোনে কয়েক বার কল দিলেও প্রতিবারই তার ফোন কল ব্যস্ত পাওয়া যায়। এজন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রসঙ্গত: উপরোক্ত ছবি টি ঘটনা স্হল থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টার মধ্যে তাদের লোকজনবল দ্বারা কাজ চলমান অবস্থা তোলা।