ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’
৪০ বছর পরে গুণীজন সংবর্ধনা
নেত্রকোনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের জেলা কমিটির পরিচিতি ও কর্মপরিকল্পনা সভা
পটুয়াখালীতে কারারক্ষীর জানাজায় উপস্থিত হলেন অতিরিক্ত কারা মহা পরিদর্শক
পূর্ব মালঞ্চ মধ্যপাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠন :সভাপতি হাসান, সম্পাদক লতিফ
সীমান্তে বাংলাদেশী ভেবে বিএসএফের গুলি ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু
নৌকার উপর গান বাজিয়ে অস্ত্র প্রদর্শন-নাচানাচি: সেনা অভিযানে ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

তালাক দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে সংসার, টাকা-স্বর্ণালংকার হাতিয়ে আবারও তালাক

যশোরের মনিরামপুরে আব্দুল্লাহ-আল মামুন নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তালাক দেওয়া স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করার অভিযোগ উঠেছে। তালাক দেওয়ার পর আগের স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করে টাকা-স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় আবারও তালাক দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ-আল মামুন মনিরামপুর উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফরিদপুরের সদরপুর গ্রামীণ ব্যাংকের এরিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বে আছেন।

এ ঘটনায় যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। গত বুধবার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আব্দুল্লাহ-আল মামুনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছা উপজেলার বল্লা গ্রামের তুরফান তুল্লাহ মোড়লের মেয়ে খাদিজা খাতুনকে গত ২০ জুন বিয়ে করেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। তখন মামুনের কর্মস্থল ছিল ঝিনাইদহের শৈলকুপায়। সেখানে সাত দিন সংসার করেন তাঁরা। পরবর্তীতে বাবার বাড়ি আসেন খাদিজা। পরে মামুনের মালয়েশিয়া প্রবাসী ভাই খাদিজাকে শৈলকুপায় দিয়ে আসেন। সেখানে মামুনের কাছে ২০ আগস্ট পর্যন্ত থেকে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন খাদিজা। ২৭ আগস্ট পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাঠানো মামুনের দেওয়া তালাকনামা পান তিনি। তাতে দেখা যায়, ৫ জুলাই খাদিজাকে তালাক দেন মামুন। অথচ খাদিজাকে নিয়ে ২০ আগস্ট পর্যন্ত সংসার করেন তিনি।

এরপর মামুন প্রলোভন দেখিয়ে ৫ সেপ্টেম্বর খাদিজাকে আবার শৈলকুপায় নিয়ে যান। সেখানে সহকর্মীদের উপস্থিতিতে খাদিজাকে আবারও বিয়ে করেন। এ সময় খাদিজার কাছে থাকা টাকা ও সোনার গয়না হাতিয়ে নেন। একদিন পরই মামুন ফরিদপুরে বদলি হন। তখন খাদিজাকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে বলেন, নতুন বাসা নিয়ে তাঁকে নিয়ে যাবেন। খাদিজা বাবার বাড়ি গেলে ৮ সেপ্টেম্বর পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আবারও তালাকের নোটিশ পান।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামীণ ব্যাংকের ফরিদপুর বিভাগীয় ম্যানেজার আবু তালেব বলেন, খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আব্দুল্লাহ আল মামুন একজন দুশ্চরিত্র প্রকৃতির লোক। তাঁর বিষয়ে হেড অফিসে অভিযোগ দেওয়া হবে। আর খাদিজা আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে তাঁকে সহায়তা করা হবে।

শেয়ার করুনঃ