
নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলে জেলা পরিষদ থেকে ভুয়া সিটি প্রেসক্লাবের নামে অর্থ বাগানো কান্ডের হোতা সময় টিভির প্রতিনিধি সৈয়দ সজিব রহমান বাগানো টাকা হজম করতে নানা ফন্দি এঁটে চলেছেন। নানা মহলের সমালোচনার মুখে ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে তড়িঘড়ি করে পৌরসভার দূর্গাপুর এলাকায় এক দোকানে সিটি প্রেসক্লাব
নামের ব্যানার ঝুলিয়েছে। ঘটনাটি ইতিমধ্যে ‘টক অব দা টাউন’ এ পরিনত হয়েছে, নিন্দার ঝড় বইছে নানা মহলে । জানাগেছে, ’সিটি প্রেসক্লাব নড়াইল’নামে কাল্পনিক এক প্রতিষ্ঠানে আসবাবপত্র ক্রয় প্রকল্প গ্রহন করে সময় টিভির প্রতিনিধির প্রভাবে এর বিপরতী ২০২৩-২৪অর্থ বছরে জেলা পরিষদের রজস্ব খাত থেকে দেড় লক্ষ (১,৫০,০০০) টাকা বরাদ্দ করানো হয়। ২৫সেপ্টেম্বর (বুধবার) প্রকল্প বাস্তবায় কমিটির সভাপতি সৈয়দ সজিব রহমান প্রেসক্লাবে আলমারি, চেয়ার টেবিল ও কম্পিউটার ক্রয়ের কথা বলে উক্ত বরাদ্দের প্রথম কিস্তি ৭৫হাজার টাকার চেক নিজ সহি সম্পাদনে বুঝে নেয়। এরপরই জালিয়াতির এ বিষয়টি সবার নজরে আসে। নিন্দনীয় এ ঘটনায় সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে সাংবাদিক সমাজ, এতে যুক্ত হয় সচেতন নড়াইলবাসীও।একজন সাংবাদিকের এই অনৈতিক কান্ডে সমালোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ফোরামে। নানা মহলের সমালোচনার মুখে সুচত্বতুর সজিব সিটি প্রেসক্লাবের নামে বাগানো টাকা হজম করতে তার অপকর্মের ভাগীদার নড়াইল প্রেসক্লাবের সদস্য আল-আমিন নামে এক সাংবাদিকের সহায়তায় নড়াইল পৌরসভার দূর্গাপুর এলাকায় এক দোকানে ২৬ সেপ্টেম্বর বিকালে ব্যানার ঝুলায় দেখা যায়।
জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আবু হানিফ জানিয়েছেন নড়াইল সিটি প্রেসক্লাবটি সিটি কলেজ এলাকায় ছিল যেটা আমি সার্ভে করেছি।
কিন্তু এখন বাস্তবে দেখা যাচ্ছে দুর্গাপুর এলাকার একটা দোকানে সামনে সিটি প্রেস ক্লাবের সাইনবোর্ড ঝুলানো হয়েছে। এতে করে সাধারণ জনগণের মধ্যে বাটপারের চরিত্র ফুটে উঠেছে। এ ব্যাপারে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহাবুব রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে মোবাইল বিচ্ছিন্ন করে দেন।