গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো.সোহেল রানা (৩৫)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব ৪,সিপিসি-৩ ও র্যাব ৮ এর একটি যৌথ টিম।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানাধীন সাতমাইল বাজার এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় সোহেলকে। ঢাকার আশুলিয়া থানার আউকপাড়া গ্রামের মো.হানিফ আলীর ছেলে সোহেল।
র্যাব-৪, সিসিসি-৩ থেকে পাঠানো প্রেস রিলিজ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মামলার ভিকটিম মো. তানিম (২৫) এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ চলছিল আসামি সোহেলের। ২০১৭ সালের ২২ জুলাই সকালে আসামি সোহেল রানা ভিকটিমকে ঢাকা মহানগরীর কাফরুল থানাধীন পলাশনগর এলাকায় দেখা করে পাওনা টাকা নিতে বলে।
ভিকটিম আসামির কথায় বিশ্বাস করে উল্লেখিত স্থানে দেখা করে আসামির নিকট পাওনা টাকা চাইলে আসামি সোহেল রানা (৩৫) সহ ফরহাদ,আশিক ও নজরুল ভিকটিমকে জোরপূর্বক অজ্ঞাতনামা একটি হায়েসে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের মায়ের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে।
পরে ভিকটিমের মা আসামিদের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে মুক্তিপণ না দেওয়ায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন খাগান গ্রামের জঙ্গলে ভিকটিমকে মেরে ফেলে রেখে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতের বিচারক ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর সোহেলের মৃত্যুদণ্ড রায় প্রদান করেন।
র্যাব ৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্তা২৪.কম-কে বলেন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৬ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার হতে পলায়ন করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে আত্মোগোপন করে রাখে সোহেল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোহেলকে গ্রেফতার করে র্যাবের যৌথ একটি টিম। পরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ থানায় সোহেলকে হস্তান্তর করা হয় বলেও জানান আরিফ হোসেন।
ডিআই/এসকে