
রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ খুরশিদ জাহান ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেহানা পারভীনের পক্ষে-বিপক্ষে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। এতে কিছু অনুপ্রবেশকারী ঢুকে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করে। এমন পরিস্থিতি পুনরায় না হয়। সেজন্য কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় করেছে তুরাগ থানা বিএনপি।
মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলের হলরুমে মত বিনিময়ের সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মোস্তফা জামান বলেন, ছাত্রদের আত্মত্যাগ আজকের এই নতুন বাংলাদেশ। বেশ কয়েকদিন যাবত স্কুলের ভেতরে অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। এতেই স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্ন ঘটে। এছাড়া কিছু অনুপ্রবেশকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কে অস্থিতিশীল করার জন্য পাঁয়তারা করছে। আমরা তা হতে দেব না। কোন অনুপ্রবেশকারী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে তাদেরকে আইনের আওতায় তুলে দেয়া হবে বলে জানান এই নেতা।
তিনি আরো বলেন,বর্তমানে যিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সে যথাযথ কাজ পরিচালনা করবে। যদি তাকে বাদ দিয়ে আগের যে অধ্যক্ষ আছে তাকে সরকার নিয়োগ দেয় তাহলে তিনি কাজ করবেন। এতে আমাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
মতবিনিময় সময় তুরাগ থানা বিএনপি আহ্বায়ক খোকা যুগ্ম আহ্বায়ক জহির সহ স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সহ অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিল।
কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেহেনা পারভীন বলেন,সরকার আমাকে নিয়োগ দিয়েছে। আমি মূলত আমার দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি। আমাকে আমার দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের বাধা প্রদান করা হচ্ছে। যতক্ষণ আমি দায়িত্বে আছি আমার দায়িত্ব আমি পালন করে যাব। এক্ষেত্রে আমি কাউকে ছাড় দেবো না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,আগস্টের ৫ তারিখের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষ তৈরি হয়। এবং একটি মহল প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা চালায়। প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশকিছু সংবাদ প্রকাশ হয়।
ডিআই/এসকে