
১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর হাতিয়া ইউনিয়নের দাগাড়কুটি, রামখানা, হাতিয়ার গ্রাম, নয়াদাঁড়া সহ পার্শ্বস্ত গ্রামের শিশু,তরুন, যুবক, বৃদ্ধ নর নারীগণের মাঝে আতঙ্ক, ভয় সৃষ্টির মাধ্যমে পাক হানাদার বাহিনী ৬৯৭ জন ( আনুমানিক) নিরীহ মানুষকে হত্যা করে। সেদিনের সেই ভয়াবহতা নব প্রজন্মের মানুষ হিসেবে আমাদের কাছে জাঁগিয়ে তোলা, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী, জীবনদানকারী শহীদগণ, নির্যাতিত নিপীড়িত পূর্বপুরুষগণের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য দিবসটি প্রতিবছরই পালন করা হয়। আজকের এই দিনে উপরোল্লিখিত সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
সেই সাথে সমাজ ও প্রজন্মের কাছে গুরুত্ত্বহীণ হয়ে পড়া এমনকি হাতিয়াবাসীর কাছেও প্রায় হারিয়ে যাওয়া হাতিয়া গণহত্যাকে নব প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে যে মানুষটি অক্লান্ত পরিশ্রম করলেন, নাটিকার মাধ্যমে ভয়াবহ বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তুললেন,
জাগ্রত করলেন ঘুমন্ত সমাজকে, যুদ্ধাহত মরহুম শ্রদ্ধেয় বাবর আলী চাচাকে বিটিভিতে নিয়ে গিয়ে হাতিয়া গণহত্যার মর্মার্থ তুলে ধরলেন সেই মহান মানুষটি মরহুম অধ্যক্ষ নাসিমা বানুকে আাজ সঙ্গত কারণে স্মরণ করছি এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।