
উপকূলের জলবায়ু বিপন্ন মানুষের অগ্রগতি, সুরক্ষা ও উপক‚ল দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বেতাগীতে উপক‚ল দিবস পালিত হয়েছে।
রোববার সকাল ১১টায় বেতাগী প্রেসক্লাবের এর আয়োজনে শোক র্যালি, নীরবতা পালন ও পৌর শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজেম স্মৃতি ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেতাগী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বেতাগী সরকারি কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদ সিকদার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, এনজিও সন্বয় পরিষদের উপজেলা সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম, সিআইপিআরবির আঞ্চলিক সন্বয়কারী রজত সেন, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠির উপজেলা সভাপতি দিপক কুমার গুহ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন খান, আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, বরগুনা জেলা যুব কাউন্সিলের সদস্য অলি আহমদ, সংবাদ কর্মি আরিফ সুজন, মো: শাকিল আহমেদ, ফোরকান হোসেন ইমরাত, গ্রিন পিস সোসাইটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক তন্ময়, এক ঘন্টার প্রতি ইউওন তাকওকওয়া হোসেন নুপুর, জেরিন প্রমুখ। আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৭০‘র ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় গোটা বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছিল। তাই ঘূর্ণিঝড় ও নিহতদের স্মরণে বছরে অন্তত একটি বার সবাই মিলে আলোচনা করার জন্য এবং উপক‚লবাসীর পক্ষ থেকে উপক‚লের সুরক্ষা, উপক‚লের সংকট, সম্ভাবনা, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ ১২ নভেম্বরকে রাস্ট্রীয় ভাবে উপক‚ল দিবস ঘোষণার দাবী জানান।
সেই সময়কার কৈশর বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোপখালী গ্রামের বাসিন্দা সিনিয়র সংবাদকর্মি হাসানুর রহমান ঝন্টু এর স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে বলেন, ৭০এর জলোচ্ছাসে আমাদের গ্রামের বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যায়। বাড়ীর ৭টি ঘর তচনছ হয়ে উঠানে কোমড় সমান পানি হয়। কৈশরের ভয়াবহ প্লাবনের দৃশ্য আজও চোখে ভাসছে। আমাদের ছোট দাদী সাহসী ছিলেন, জোয়ারের পানির মধ্য দিয়ে কোলে নিয়ে আরেক ঘরে নিয়ে আমাকে নিরাপদে আশ্রয় দেয়। এই ঘূর্ণিঝড়ে পুরা উপক‚লের ন্যায় এ উপজেলায়ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যা পুষিয়ে ওঠার নয়।