ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’
৪০ বছর পরে গুণীজন সংবর্ধনা
নেত্রকোনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের জেলা কমিটির পরিচিতি ও কর্মপরিকল্পনা সভা
পটুয়াখালীতে কারারক্ষীর জানাজায় উপস্থিত হলেন অতিরিক্ত কারা মহা পরিদর্শক
পূর্ব মালঞ্চ মধ্যপাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠন :সভাপতি হাসান, সম্পাদক লতিফ
সীমান্তে বাংলাদেশী ভেবে বিএসএফের গুলি ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু
নৌকার উপর গান বাজিয়ে অস্ত্র প্রদর্শন-নাচানাচি: সেনা অভিযানে ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

ঝিকরগাছায় টানা বৃষ্টিতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

জহিরুল ইসলাম
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি
০১৯১১১৩০৩৯৮

যশোরের ঝিকরগাছায় টানা বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। এতে যাত্রী পাচ্ছেন না ভ্যান সিএনজিচালকরা। বিপাকে ফুটপাতের দোকানিরাও। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও বাঁকড়া বাজার এলাকায় যাত্রীর আশায় বসে থাকতে দেখা যায় অনেক চালকদের।

তিন দিন ধরে উপজেলায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। দমকা বাতাসের সঙ্গে হালকা ও মাঝারি আবার কখনও ভারী বর্ষণের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব নিম্ন আয়ের মানুষ।

ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, গদখালী ও বাঁকড়া বাজারের বিভিন্ন দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। কিছু দোকান খোলা থাকলেও নেই ক্রেতা। বৃষ্টির কারণে নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় শ্রমিকরাও পড়ছেন বিপাকে।

যশোর – বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীর আশায় বসে থাকা অটোরিকশা চালক রাজু বলেন, তিন দিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, আমি এক ট্রিপে ৭০০ টাকা উপার্জন করেছি। ঠিকমতো ভাড়া না হওয়ার কারণে আমরা বিপদে পড়েছি। আমরা কী খাবো আর গাড়ি মালিকদেরই বা কী দেবো।

অটোরিকশা চালক বাঁচ মিয়া বলেন, বৃষ্টির কারণে রাস্তায় কোনো লোকজন নেই। আজ ১০০ টাকা ভাড়া মেরেছি। যেখানে অন্যান্য দিন ৫০০থেকে ৬০০ টাকা ভাড়া হয়। আমার গাড়ির চার্জারের টাকাই উঠবে না।

ফুটপাতের এক ফল বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিন দুপুরের মধ্যে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ফল বিক্রি হয়। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে তিন দিন ধরে ১ হাজার টাকারও বিক্রি করতে পারিনি।

ছুটিপুর এলাকার চায়ের দোকানদার মিজান বলেন, অন্য দিনে যা বিক্রি হয় তার অর্ধেকও বিক্রি করতে পারিনি। সকালে বেকারির যে রুটি, কেক, সিঙ্গারা রেখেছিলাম, এখন সেগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাশের দোকান বন্ধ থাকায় ভেবেছিলাম বিক্রি ভালো হবে। কিন্তু এখন ভাবছি বন্ধ রাখলেই ভালো ছিলো।

ভ্যানচালক রবিউল বলেন, রাস্তায় কোনো লোকজন নেই। টানা বৃষ্টির কারণে ভাড়া মারতে পারিনি। বাড়িতে আমিসহ পাঁচ সদস্য। আমার একার উপার্জনে সংসার চলে। এরকম টানা বৃষ্টি হতে থাকলে আমার পরিবারের সদস্যদের না খেয়ে থাকতে হবে।

শেয়ার করুনঃ