
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দোছড়ি ৪ নং ওয়ার্ড তুলাতলিতে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইমরানের নির্দেশে ও ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ হোসেন এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা ফিল্ম স্টাইলে হামলা, মালামাল লুটপাট, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও বসত বিটা দখলের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে বুধবার (১১সেপ্টম্বর) নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী অসহায় মহিলা করিমা বেগম।
সংবাদ সম্মেলনে করিমা বলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা আওয়ামীগের প্রভাবশালী নেতা দোছড়ি ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে গত ২০২২ সালের ৭ অক্টোবর বেলা ২টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত তান্ডবলীলা চালায় তার বাহিনীর ১০/১৫ জন সদস্য।
ক্ষতিগ্রস্ত স্বামী হারা ৪ সন্তানের জননী করিমা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ওই দিন বসত ভিটায় হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করে বাড়ির মালামাল পিকাপ ভরে নিয়ে যায় এবং তান্ডব লীলা চালায় যা আয়মে জাহেলিয়াতের যুগকেও হার মানিয়ে ছিল। এ দিন সংঘবদ্ধ জবরদখলকারীদের হামলা থেকে আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনিসহ আরো ২ নারী গুরত্বর আহত হন। ওক্ত বসত ঘরে আমি দীর্ঘ ১৯ বছর বসবাস করে আসছিলাম। চেয়ারম্যান নিজে দখলে নিতে এ লংকা কান্ড ঘটায়। আমি আদালতে মামলা করায় শেষে মসজিদের জমি সেই জন্য আমাকে ওই জায়গা থেকে উচ্ছেদ করে মসজিদের জন্য দখল করেছে বলে চালিয়ে দেয়।
করিমা সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকার হোসেন নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২০০৩ সালে ক্রয় করে এবং স্থানীয় হেডম্যান থেকেও একটি রিপোর্ট নিয়ে দীর্ঘ ১৯ বছর দখলে থেকে বসবাস করে আসছেন। বিষয়টি ঐ সময় থানায় সালিশ হয়ছিল। থানা পুলিশ জমির বিষয় হয়তে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন দুই পক্ষকে।
চেয়ারম্যান ইমরান ক্ষমতার অপ ব্যবহার করে তার লোকজন আমাকে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে। ওই দিন এঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের ৪ সংবাদ কর্মী আসার পথে একজনকে ব্যাপক মারধর করলে সে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয়। বাকী তিন জন সংবাদকর্মী পালিয়ে রক্ষা পায়। আমি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের করে দোষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।