
আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি ঃ বরগুনার আমতলীতে জামাতাকে মারধোর করায় শশুড় শাশুড়ীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট
আদালত।মঙ্গলবার ১০ সেপ্টেম্বর রহমতপুর গ্রামের ছত্তার মৃধার ছেলে মো.বেল্লাল মৃধা বাদী হয়ে শশুড় ইউছুফ সরদার(৫০) শাশুড়ী ফাতেমা বেগম, খালা শাশুড়ী কাজল বেগম (৩৫)সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, রহমতপুর গ্রামের ছত্তার মৃধার ছেলে মো.বেল্লাল মৃধা(২৯)এর সাথে পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ইউছুফ সর্দারের মেয়ে মোসাঃ সালমা জান্নাত বাবলীর সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয় প্রায় তিন বছর পূর্বে। বেল্লাল ও বাবলীর ঐরষে ৬ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর বেল্লাল তার স্ত্রী বাবলীকে শশুড় বাড়ী থেকে নিজের বাড়ী তুলে নিয়ে যায় বেল্লাল স্ত্রীকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে
থাকেন। ঘটনার দিন ৮ সেপ্টেম্বর রবিবার বেল্লালের শশুড় ইউছুফ সর্দার , শাশুড়ী ফাতেমা বেগম খালা শাশুড়ী কাজল বেগম বেল্লালের বাড়ীতে বেড়াতে যায় এসময় তারা তাদের মেয়ে বাবলীকে বিদেশ পাঠাতে প্রস্তাব দেয়। বিদেশ পাঠানো নিয়ে মেয়ে বাবলী জামাতা বেল্লালের সাথে ইউছুপ সরদার, শাশুড়ী ফাতেমা বেগম, খালা শাশুড়ী কাজল বেগমের ঝগড়া ঝাটি শুরু হয় ।ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে শশুড় ইউছুফ সরদার শাশুড়ী ফাতেমা বেগম, ভাড়াটে সন্ত্রাসী লুৎফর রহমান, কামাল হাওলাদার, খালা শাশুড়ী কাজল বেগম মেয়ে জামাতা বেল্লাল(২৯)কে দেশিয় অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এমবস্থায় জামাতা বেল্লাল ৯৯৯ এ ফোন দিলে আমতলী থানা পুলিশ বেল্লাল ও তার স্ত্রী বাবলীকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জামাতা বেল্লাল বাদী ১০ সেপ্টেম্বর শশুড় ইউছুফ সরদার, শাশুড়ী ফাতেমা বেগম. খালা শাশুড়ী কাজল বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আমতলী সিনিয়র জুডিষিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন । বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে দিয়ে আসামীদের বিরদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির আদেশ প্রদান করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিন জানান,মামলাটি আমলে নিয়ে আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টের বিজ্ঞ বিচারক সকল আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির আদেশ প্রদান করেন।