
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রাতের আঁধারে স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষকের ওপর দুবৃর্ত্তদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ঐ স্কুলের শিক্ষার্থীরা।
এ উপলক্ষে (১০ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার হাজীপুর শহীদ স্মরণিকা উচ্চ বিদ্যাপিঠের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা নিজ বিদ্যালয় মাঠে তাদের শিক্ষকের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় যখন শিক্ষার্থীদের হাতে কতিপয় শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করা ও লাঞ্ছনার খবর শোনা যাচ্ছে তখনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় শিক্ষকের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম রাজা, শিক্ষিকা প্রনতী রানী দাস, সাবেক শিক্ষার্থী লোকমান চৌধুরী, মনির হোসেনসহ আরও অনেককেই। এসময় বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান সহস্রাধিক শিক্ষার্থী সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম সরকার (রফিক স্যার)-এর ওপর সন্ত্রাসী (বাবুল, মেহেদী, মাহবুব, সোহেল, জুয়েল, সজিব, তপন, সুমন গংদের পরিকল্পীত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং সেই সাথে শিক্ষার্থীরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আল্টিমেটাম দেন। নতুবা আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। বর্তমানে আহত শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম ঢাকার হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন। আহত শিক্ষক কসবা উপজেলার হাজীপুর শহীদ স্মরণিকা উচ্চ বিদ্যাপিঠের একজন সহকারী শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম রেজা জানান,অত্যন্ত সাদাসিধা সহজ সরল শিক্ষক রফিক স্যার। রাতের আঁধারে আমার বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষকের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলার দ্রুত বিচার দাবি জানাচ্ছি। এদিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় আহত শিক্ষক ও তার পরিবারের কারো সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।