ঢাকা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মোদির সঙ্গে কথা বললেন ড. ইউনূস
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
ঈদ পরবর্তী বিআরটিএর বিশেষ অভিযান: ৬ লাখ ৮৭ হাজার জরিমানা,২৮৯ মামলা
রায়পুরে আ’লীগ বিএনপির যৌথ হামলায় নারীসহ আহত ৫
পাঁচবিবিতে শিক্ষার্থী সমিতির স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন
মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে ফুলবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল
ভোলায় হাতবোমা-মাদকসহ ৫ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আটক
নবীনগরে তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১২
নেত্রকোণা সরকারি কলেজের ঈদ পুনর্মিলনী
রামুর ঐতিহ্যবাহী গর্জনিয়া ফইজুল উলুম মাদ্রাসার মিলন মেলা বর্ণঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন
ঢোলবাদক বিনয়বাঁশী জলদাস এর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল শনিবার
তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত
বোয়ালমারীতে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাতকাটা শাহিদুল গ্রেপ্তার
কচ্ছপিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে ঈদ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠান
নওগাঁর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ফজলে রাব্বি মারা গেছেন

উপকূল দিবস রাষ্ট্রীয় ঘোষণার দাবি নোয়াখালীতে ভয়াল ১২ নভেম্বরের শহীদদের স্মরণ

ভয়াল ১২ নভেম্বর। ১৯৭০ সালের এই দিন রাতে উপকূলে আঘাত হানে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ভয়াল গোর্কি। এতে বিভিন্ন ক্ষয়-ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণ কাড়ে ১০ লাখ মানুষের। এর মেধ্য নোয়াখালীতে প্রাণ হারান দুই লক্ষাধিক মানুষ। তাই ১৯৭০ এর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের স্মরণে ১২ নভেম্বর উপকূল দিবস রাষ্ট্রীয় ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কেন্দ্রীয় বোর্ড সদস্য ও নোয়াখালী জেলা ইউনিট সেক্রেটার এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন।
রোববার (১২ নভেম্বর) রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নোয়াখালী জেলা ইউনিট কার্যালয় থেকে ঘূর্ণিঝড় গোর্কির আঘাতে নিহত শহীদদের স্মরণে একটি শোক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা ইউনিট কার্যালয়ে গিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেয়।
এতে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নোয়াখালী ইউনিট সদস্য এডভোকেট ওমর ফারুক, সহকারী পরিচালক মো. নুরুল করিম, যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্য ফারজানা আক্তার রিতা, শপু শীল, শ্রাবণী আক্তার, শ্রীমান, সুমাইয়াসহ ইউনিটের সদস্য ও যুব রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সোসাইটি কেন্দ্রীয় বোর্ড সদস্য শিহাব উদ্দিন শাহিন বলেন, ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ভয়াল গোর্কির আঘাতের পূর্বে পূর্ব বাংলার উপকূলের মানুষ পাকিস্তানী জান্তাদের কাছ থেকে কোন বার্তা পায়নি। এতে উপকূলের ঘুমন্ত মানুষ ওই গোর্কির আঘাতের শিকার হয়। সেই দিন উপকূলে নিহত ১০ লাখ মানুষের মধ্যে নোয়াখালীতেও দুই লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। ১২ নভেম্বর আসলেই আমাদের দক্ষিণ জনপদের স্বজন হারানো মানুষের বুক ফাঁটা কান্না থেমে থাকে না। তাদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে যায়। সেই ভয়াল ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে রোল মডেল হিসেবে অধিষ্ঠিত করেছেন। বর্তমানে দুর্যোগে মৃত্যুর হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।
শাহিন বলেন, ভয়াল ১২ নভেম্বরকে উপকূলের মানুষ উপকূল দিবস হিসেবে পালন করে থাকলেও এখনো দিবসটির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিলেনি। নোয়াখালী-ভোলাসহ উপকূলীয় জনপদের মানুষের পক্ষ থেকে আমাদের দাবি থাকবে, ভয়াল ১২ নভেম্বরকে যেন রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

শেয়ার করুনঃ