
সুনামগঞ্জ এক নির্বাচনী এলাকা তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা, মধ্যনগর সহ সারা বাংলাদেশর সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী সহ সকল সম্পাদায়কে দীপাবলি ও শ্যামাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট রনজিত সরকার।
এমপি প্রার্থী এডভোকেট রনজিত সরকার
বলেন, হিন্দুদের কাছে, দীপাবলি একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।সাধারণত বাড়িতে বা মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত কালী প্রতিমার নিত্যপূজা হয়ে থাকে। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে অনুষ্ঠিত সাংবাৎসরিক দীপান্বিতা কালীপূজা বিশেষ জনপ্রিয়। এই দিন আলোকসজ্জা ও আতসবাজির উৎসবের মধ্য দিয়ে সারা রাত্রিব্যাপী কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ভগবান শ্রীরাম চন্দ্র রাবণ বধ করে অযোধ্যায় আসলে প্রজারা তাঁকে স্বাগত জাননোর জন্য রাতব্যাপী অযোধ্যায় আলোকসজ্জা করে। অসুর শক্তির পরাজয়, মন্দ শক্তির পতনের এই উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখতে অযোধ্যার প্রজারা যেভাবে আলো আর উৎসবের আয়োজন করেছিল সেই ধারাবাহিকতায় আজও বিশ্বব্যাপী হিন্দুরা অসত্যের পরাজয় আর সত্যের জয়কে স্মরণ করতে দীপাবলীতে আলোর উৎসব করে থাকে। তিনি আরও বলেন, দীপাবলীর অন্য তাৎপর্য হচ্ছে শ্রীশ্রীকালীপূজা ও দীপাবলী অনুষ্ঠিত হয় কার্তিক মাসে।
কার্তিক মাসটি মৃতের মাস বলে পরিগণিত। এই মাসে মৃত পিতৃপুরুষদের গতিপথ আলোকিত করতে আকাশপ্রদীপ জ্বালানো হয়। মৃত পুরুষদের মুক্তি কামনায় এই আলোর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। যেহেতু মাকালী কালভয়হারিণী, ত্রিনয়নে তার চন্দ্র-সূর্য-অগ্নি অনন্ত কোটি প্রদীপ্ত তারকা তাই তিনিই পিতৃপুরুষদের পথপ্রদর্শক। তাঁর আলোকেই অন্ধকার থেকে জ্ঞানের পথে, যমলোক থেকে শাশ্বত মুক্তির পথে মানুষ গমন করতে পারে এই বিশ্বাস থেকে দীপাবলীর সাথে কালীপূজা জড়িয়ে আছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কালীপূজা আর দীপাবলীর মত পূজা-উৎসব ঘোর অমাবস্যায় আর একটিও নেই। সন্ধ্যায় আলোর উৎসব দীপাবলী আর মধ্যরাতে করাল-বদনী কালীর পূজা। সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শক্তির দেবী হিসেবে যুগ যুগ ধরে কালী পূজা বা শ্যামা পূজার আয়োজন করে আসছেন।
অশুভ অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকারকে দূর করে শুভ ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠায় এ উৎসব পালন করা হয়। সবাই কে আজকের এই দিনে দীপাবলি ও শ্যামাপুজার শুভেচ্ছা।