
দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে পরিচ্ছন্ন, গতিশীল ও সময়োপযোগী করতে বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।গ্রাম,মফস্বল, শহর,বন্দর,উপজেলা,জেলা,বিভাগের সকল নিবন্ধিত ফার্মেসীগুলিকে মডেল মেডিসিন শপে রূপান্তর করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালু করেছে।যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক বিক্রয়রোধে গণসচেতনতা ও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের চিকিৎসাপত্র ব্যতিত এন্টিবায়োটিক ক্রয়বিক্রয় ও নির্ধারিত ডোজের কম বা বেশি এন্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করতে শক্ত পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।তারই লক্ষে দেশের প্রতিটি ফার্মেসীর কেমিস্টদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও সচেতনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এসকল কার্যক্রমকে বেগবান করতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কেমিস্টদের ফার্মেসী পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা দিতে খুলনা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক ঔষধ প্রশাসন মো: নাজমুল হাসান গত ৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় রূপসার বেশ কয়েকটি ফার্মেসী পরিদর্শন করেন। এন্টিবায়োটিক, রেজিস্ট্রার খাতা ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, রেজিস্ট্রার খাতা যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখেন।তিনি সকল কেমিস্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ক্রয় বিক্রয় থেকে বিরত থাকতে হবে। মাত্রার চেয়ে কম বা বেশী পরিমাণ এন্টিবায়োটিক সেবন রোগীর স্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদজনক। আর এই অনাকাঙ্ক্ষিত এন্টিবায়োটিক সেবনের ফলে শুধু রোগী নয় তার পরিবারসহ দেশ ও জাতি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।পরবর্তীতে কোন ঔষধ তাদের শরীরে কোন কাজতো করবেই না বরং বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। ফলে রোগ নিরাময়ে রোগী,ডাক্তার ও কেমিস্টরা হতাশাজনক অবস্থায় পড়বে।তিনি ফার্মেসীর সেল্ফে কোন মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, স্যাম্পল ঔষধ রাখতে কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা দেন।ফার্মেসীর বাইরে একটি বাক্সে “মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় যোগ্য নয় লেখা ” সংরক্ষণ করতে হবে।মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রেজিস্ট্রার খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কোম্পানির প্রতিনিধিদের মাধমে পরিবর্তন করে নিতে হবে। প্রতিটা ফার্মেসী পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও বিধিনিষেধ মেনে পরিচালনা করতে হবে।স্যাম্পল ঔষধ, আন রেজিস্টার্ড ঔষধ বিক্রয়ের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাপ সংবেদনশীল ঔষধ রেফ্রিজারেটরে অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। আমি মাঝে মাঝে কোন ঘোষণা ছাড়াই চলে আসবো,অসংগতি দেখলে ব্যবস্থা নেবো ।
কোন সুবিধা -অসুবিধায় প্রয়োজন হলে আমার অফিসে নির্দ্বিধায় চলে আসবেন।