
রাজশাহীর তানোরে জমির আঁধা পাকা ধান জোর পূর্বক কেটে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা। থানায় অভিযোগ করা হলেও রহস্য জনক কারনে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মোহর জমির মাঠে। এঘটনায় তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও বিষয়টি নিয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করে সমাধান করে দেয়ার কথা বলে ঘুরাচ্ছেন।
অভিযোগ ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার মোহর গ্রামের মৃত মুনসুর আলীর পুত্র মাইনুল ইসলাম মোহর মৌজার, খতিয়ান ৪১, জে-এল নং ১৪৬, দাগ ১৪৩৫, ৩৩ শতক ধানী জমি ৩০ বছর আগে ক্রয়করে এককালীন দান দলিল মুলে প্রাপ্ত হয়ে চাষাবাদ করে আসছেন। এবছরও তিনি ওই জমিতে রোপা আমন চাষ করেছেন।
গত ২৬ অক্টোবর সকালে জমিতে ধান দেখতে গিয়ে দেখেন তার প্রতিপক্ষ মোহর গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর পুত্র আসাদ আলী (৫০), তার আশরাফ আলী (৪৫), আব্দুল মতিন (৩৫) ও লছিরামপুর গ্রামের মৃত সাহাতুল্লাহর পুত্র কামরুল ইসলাম ওই জমির ধান কেটেনিয়ে যাচ্ছেন। এসময় বাঁধা নিষেধ করলে প্রতিপক্ষরা মারমুখী আচরণ করেন।
এসময় ৯৯৯ কোল করলে তানোর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ১ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ওইদিনই মাইনুল ইসলাম বাদি হয়ে ৪ জনকে আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মাইনুল ইসলামের দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড না করে আটককৃতকে রহস্যজনক কারনে ছেড়ে দেন এবং উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় আপোষের তারিখ নির্ধারণ করেন এবং উভয় পক্ষকেই ধান কাটতে নিষেধ করে দেয় পুলিশ। কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে নিষেধ অমান্য করে অমান্য করে প্রতিপক্ষরা জোর পূর্বক জমির ধান কেটে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা তানোর থানার এসআই নজরুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিনের মধ্যেই উভয় পক্ষকে নিয়ে আপোষের চেষ্টা থানায় বসা হবে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এসআই নজরুল নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। যদি সেটার সুরাহা না হয়ে থাকে তাহলে বিষয়টি খোজ নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।