ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময়
পঞ্চগড় সড়কে বিআরটিএ ও যৌথবাহিনীর অভিযান

গুইমারার সিন্দুকছড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভাষা শিখন কেন্দ্র উদ্বোধন

নুরুল আলম:: খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নে সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভাষা শিখন কেন্দ্রের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৪) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভাষা শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা সরকারি কলেজ এর অধ্যক্ষ নাজিম উদ্দিন, গুইমারা কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুশীল রঞ্জন পাল, সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মংক্য মারমাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রাথমিকভাবে ভাষা শিখন কেন্দ্রে ৩০ জন ত্রিপুরা ও ৩০ জন মারমা ছাত্র-ছাত্রী যথাক্রমে ত্রিপুরা (ককবরক) ও মারমা ভাষা সম্পর্কে দক্ষতা (শুদ্ধভাবে লেখা ও পড়া) অর্জন করবে বলে জানায় উপজেলা প্রশাসন, গুইমারা।

ভাষা শিখন কেন্দ্র নিয়ে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীব চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য (পৃথিবীর কোন ভাষাই হারিয়ে যাবে না) বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, গুইমারার উদ্যোগে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতন এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মূলত সকল মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। এই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও চলমান রাখার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

শেয়ার করুনঃ