
নড়াইলের কালিয়ায় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে আল আরাফাত ব্রিকসের মালিক আতাউর রহমান আততাফকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে কালিয়া উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মুন্সির বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আতাউর রহমান আততাফ (৫০) কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত আসাদ মোল্যার ছেলে। আতাউর রহমান আততাফ’র ভাতিজা মিনারুল ইসলাম বলেন, আমার চাচা পারিবারিক কাজে বিকালে জাহাঙ্গীর মুন্সির বাড়িতে যায়।
কাজ সেরে জাহাঙ্গীর মুন্সির বাড়ি থেকে বের হলেই বাবরা-হাচলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন পিকুলের নেতৃত্বে কাঞ্চনপুর গ্রামের শাহাবুদ্দীন মোল্যার ছেলে শামিম মোল্যা (২৯), সারাফাত মোল্যা(২০), একই গ্রামের রজিবুল মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যা (২৮), মিরাজ শেখের ছেলে টুটুল শেখ (৩৪), কামরুজ্জামান শেখের ছেলে বাপ্পি শেখ (৩০) হেমায়েত মোল্যার ছেলে প্রিন্স মোল্যা (২৪) সহ আরও অনেকে আমার চাচা আতাউর রহমান আততাফকে হত্যা করার জন্য রামদা, সামুরায়, চাইনিজ কুড়াল, গাছিদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রাখে। এসময় তার আত্মচিৎকার শুনে আমরা উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। আতাউর রহমান আততাফ’র ভাইরবেটি চম্পা বেগম বলেন, হত্যা করার জন্য ওরা আমার চাচাকে ঘিরে ধরে কুপিয়েছে।
আমার চাচার দুই হাতই বিছিন্ন হবার মত, পেটের দুইপাশ দিয়েই ভুড়ি বের হয়ে গেছে। নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেদি ভূইয়া জানান, সন্ধ্যায় আতাউর রহমান আততাফ নামে একজন রুগী আসে আমাদের এখানে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে এবং প্রচুর পরিমাণের রক্তক্ষরণ হয়েছে।
তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও এক ব্যাগ রক্ত দিয়ে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এ বিষয়ে, কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শামীমউদ্দিন বলেন, গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।