
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : দখলকৃত বসতবাড়ী ফিরে পেতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহর জুড়ে সাঁটানো বিএনপি নেতার ফেষ্টুন নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। শুক্রবার সকাল থেকে দৃশ্যমান হওয়া বিদ্যুতের খুঁটির সাথে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান চুন্নু আকন এর সাঁটানো ফেষ্টুনটির লেখা পড়তে জড়ো হতে দেখা গেছে সাধারন মানুষদের।বিএনপি নেতা চুন্নু আকন এর দেয়া ফেষ্টুনের উপরের বাম পাশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ার পার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ার পার্সন তারেক জিয়ার ছবি রয়েছে। ডান পাশে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেনের ছবি এবং তার বসত বাড়ীর জমি দখলে অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম রাকিবুল আহসান, সাবেক মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি স্বপন হাওলাদারের ছবি দেয়া হয়েছে। ফেষ্টুনের নীচে ভুক্তভোগী হিসেবে ছবি রয়েছে মো. খলিলুর রহমান চুন্নু আকন ও তার ছেলে মো. হারুন আকনের।
ফেষ্টুনটিতে লেখা রয়েছে, বিএনপি’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান চুন্নু আকন এর বসত-বাড়ী, জান-মাল সহ মহিলাদের উপর অমানবিক নির্যাতনের মাধমে রাতের আধাঁরে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক দখল ও লিখিত দলিল করে নেন। উক্ত বসতবাড়ী ফেরত পেতে আইন শৃংখলা বাহিনী সহ সকলের সহায়তা এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন তিনি।ভুক্তভোগী বিএনপি’র সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান চুন্নু আকন বলেন, ’ক্ষমতার দাপটে জোরপূর্বক নামমাত্র মূল্য দিয়ে আমার বসতবাড়ী দখল করে নিয়েছে সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুব ও তাঁর সহযোগীরা। আমি অচিরেই এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন সহ আইনের আশ্রয় নেবো।’ এ বিষয়ে কলাপাড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আইনের আশ্রয় নিতে খলিলুর রহমানকে উপদেশ দেন নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে অনেক চেষ্টা করেও অভিযুক্ত সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুবুর রহমান ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম রাকিবুল আহসান এর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ জানান, এ ধরনের কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।