ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
কালিগঞ্জে প্রত্যয় গ্রুপের ১৩ তম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনমিলনী 
পরকীয়া জেরে যুবকের আত্মহত্যা
আমতলীতে তরমুজ পরিবহনে চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত- ৬
আমতলীতে বাস ও মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত দুই
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট নোয়াখালীর আহবায়ক রনি,সচিব দ্বীপ
নওগাঁতে আলোকিত পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী পালিত
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব:আনসার বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা
জেলে থাকা আ’লীগ নেতাকর্মীদের নামে ঈদ বোনাস পাঠালেন সাবেক এমপি তুহিন
কালীগঞ্জে এতিম মেয়ের বিয়েতে একতা যুব সমাজকল্যাণ সংস্থার অর্থ সহায়তা
অসুস্থ সন্তানকে বাচাঁতে স্বামীর অবহেলা:বিচারের আশায় আইনের দ্বারস্থ কলাপাড়ার’ রীনা’
৪০ বছর পরে গুণীজন সংবর্ধনা
নেত্রকোনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের জেলা কমিটির পরিচিতি ও কর্মপরিকল্পনা সভা
পটুয়াখালীতে কারারক্ষীর জানাজায় উপস্থিত হলেন অতিরিক্ত কারা মহা পরিদর্শক
পূর্ব মালঞ্চ মধ্যপাড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কমিটি গঠন :সভাপতি হাসান, সম্পাদক লতিফ
সীমান্তে বাংলাদেশী ভেবে বিএসএফের গুলি ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু

পটুয়াখালীর ছোট বাইশদিয়া ইউপির মরহুম এবিএম মান্নান হাওলাদার এর পুত্র মাহামুদ হাসান’র দিন কাটে আত্নংকে

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি ইউনিয়নের নাম ছোট বাইশদিয়া।এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার।সে তার পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার পূর্বেই না ফেরার দেশে চলে যান।জানা গেছে,
প্রয়াত উক্ত চেয়ারম্যান ব্যক্তি হিসেবে তিনি একজন সৎ ও ন্যায় বিচারক হিসেবে সম্মান অর্জন করেছিলেন।তার ফলে তিনি জনতার ভোটে ৩ বার এ পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।তার মধ্যে কোন প্রকার দুর্নীতির আছর লেগে ছিল কিংবা সে সন্ত্রাসী লালন পালন করে ছিলো তা জানা যায়নি।সাবেক সরকারের আমলে আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার এর উপর বিএনপি সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়। সেই সময় একজন মেম্বার বাদী হয়ে অনেক বিএনপি’র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।কিন্তু আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার এ মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন এবং কারো বিরুদ্ধে রাগ গোস্বা ক্ষোভ রাখেননি বলে জানা যায়।
তার পূর্বপুরুষ থেকেই তাদের জায়গা -জমি,গরু- মহিষ ছিল প্রচুর পরিমাণে।
মরহুম এবিএম মান্নান হাওলাদার এর প্রতিবেশী বারেক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, আল্লাহর রহমতে তার কোন অভাব ছিল না কোন কালেই। তিনি ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নে সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন গড়ে তুলে ছিলেন। এমনকি এই ইউনিয়নে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।
তিনি মানুষের আমানত কখনোই খেয়ানত করেন নাই।রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিদ্যুৎতায়নের নিম্নেতে তিনি উপকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ৬০শতাংশ জমি দান করে গেছেন।মরহুম এবিএম মান্নান হাওলাদার এর পরিবারের সদস্যদের সূত্রে আরো জানা যায়, যে
তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে এ পরিষদের ইউপি সদস্য কামাল পাশা এর কাছে কিছুদিনের জন্য তার দায়িত্ব দেন।সে এই সুযোগ পেয়ে অনেক দুর্নীতি করেছেন সেটা হয়তো ছোটবাশদিয়ার জনগণ ভালো করে জানেন।আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার তার জীবদ্দশায় নিজ হাতে তৈরি করেন ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে তিনি তার পুত্রবধূ ফারহানা শারমিন জেবিকে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন।আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার মারা যাওয়ার পর কিছু লোক ও শিক্ষকগণ মিলে সেই কলেজটাকে হাতিয়ে নেওয়ার জন্য নানা ফন্দি আটে।যার ফল শ্রুতিতে ফারহানা শারমিন জেবিকে অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয়।এমনকি তাহার বিরুদ্ধে সাংবাদিক এনে ষড়যন্ত্রমূলক নিউজ করানো পর্যন্ত হয়।এজন্য তাকে অপমান ও অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে হয়েছে।অবশেষে সেই দুর্নীতিবাজ লোকদের মনের আশা পূরণ হয়েছে।আর এদিকে ফারহানা সারমিন জেবিকে জোরপূর্বক ভয়ভীতি হুমকি দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মরহুম এবিএম মান্নান হাওলাদার এর পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়,আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদার এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পূর্ন মেয়াদ হতে দুই বছর বাকী থাকতেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন।তার একমাত্র ছেলে হাজী মাহমুদ হাসান। তার স্বপ্ন ছিল পিতারব অসমাপ্ত কাজ গুলো করবেন, গড়ে তুলবেন আধুনিক ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন।হাজী মাহমুদ হাসান’র প্রতিবেশী ইদ্রিস চৌকিদার সাংবাদিকদের জানান,
আমার জানামতে সে কখনোই কারো সাথে খারাপ আচরণ করে নাই।সে একজন চেয়ারম্যানের ছেলে হওয়া সত্বেও তার মধ্যে তেমন কোন অহংকার ছিলেন না।
তিনি সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবাজ ছিলেন না।
সাধারণ একজন মানুষের মত সবার সাথে মিলে মিশে জীবন যাপন করতেন। তার বাবা মারা যাওয়ার পর তাকে কেউ মূল্যায়ন করেন নি। এমনকি দায়বদ্ধতা ও তার পিতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উচিত ছিল এ জনপদের মানুষ জন মিলে তাকে তার বাবার স্থানে বসানো। সুত্রে আরও জানা গেছে, ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এমন কিছু লোক ছিল যারা বিশ্বাসঘাতক ও মুনাফিক। তারা হাজী মোহাম্মদ হাসান এর অনুদান ছাড়া এক সময় চলতেই পারত না। তারাই কলা কৌশলে অযোগ্য একটি ছেলেকে এনে বিনা ভোটে দুই বছরের জন্য চেয়ারম্যান বানান তাকে।যেটা হাজী মাহমুদ হাসান এর প্রাপ্য ছিল সেটা সে পায়নি। সে এমন একজন ব্যক্তির সন্তান।তারএবং জনতার মুখের দিকে তাকাইয়া হইলেও জনতার ভোটের মাধ্যমে তাকে তার স্থানে দুইটা বছরের জন্য বসানো উচিত ছিল। কিন্তু ত্রান ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান মহিব এমপি এবং রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের কারণে তাকে তার স্থান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
হাজী মাহমুদ হাসান এর চাচা দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদারের মৃত্যুর পর থেকে তার সন্তান নিজের মত একা নিরিবিলি আছে, হয়তো কিছু মানুষের সেটা সয্য হচ্ছে না। বর্তমান পরিস্থিতি কে ব্যবহার করে কিছু মানুষ তার পিছনে হুদাই লেগে আছে। তাকে মারার জন্য কিছু নেতারা অনেক হুমকিও দিয়েছে অবশেষে তাকে মারার জন্য তার বাড়িও গেছে জানিনা এগুলো কোন ধরনের রাজনীতি সে তোমাদের কোন ক্ষতি করে নাই ক্ষতি করতে চায় ও নাই তাহলে কেন তার সাথে লেগে আছে সে তো তোমাদের সাথে কোন ঝগড়া বিপদ করে নাই।তার বাবা নাই মায়ের পেটে একজন ভাই ও নাই যে এ খারাপ সময় তার পাশে থাকবে, একটা সময় তার পাশে অনেক মানুষ ছিল অনেক নেতা ছিল অনেক চামচা ও আছিল তার জুতাওটানছে।এখন সেই লোকগুলো তাকে মারার জন্য হুমকি দিচ্ছে।ছোটবাইশদিয়ার মানুষের কাছে আমার একটাই অনুরোধ আপনারা যদি আলহাজ্ব এবিএম মান্নান হাওলাদারকে ভালোবেসে থাকেন তাহলে তার এতিম ছেলের পাশে একটু দাঁড়ান তাকে একটু ভরসা দেন কারণ এই মুহূর্তে আপনাদেরকে খুব দরকার।

শেয়ার করুনঃ