লক্ষ্মীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার উপর বৃষ্টির মতো এলোপাতাড়ি গুলি করে শহীদ আফনান হত্যা মামলায় এক নং আসামী এমপি নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন (৬০),পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ দুই নং আসামী সালাহ উদ্দিন টিপু (৫২), পিতা- আবু তাহের, পিংকী প্লাজা, উভয় সাং- বাঞ্চানগর, পৌর ৫নং ওয়ার্ড ৩। আলমগীর মিয়া (মেম্বার) (৫৫), পিতা- মৃত নুরুল হক মিয়া ৪। ইউসুফ ছৈয়াল (৫৮), পিতা- মৃত মিরাজ উদ্দিন সোহেল, উভয় সাং- মধ্য চররমনী মোহন, সর্ব থানা- সদর ৫। আলতাফ হোসেন মাষ্টার (৬০), পিতা- নোয়াব আলী মাষ্টার, সাং- উত্তর চরবংশী ৬। বাবুল পাঠান (৫৩), পিতা- কালু পাঠান ৭। রুবেল ভাট (৪১), পিতা- হুমায়ুন কবির, সর্ব সাং- পৌর ৩নং ওয়ার্ড ৮। মামুনুর রশিদ (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) (৫০), পিতা-মৌলভী মজিবুল হক, সাং- চরপাতা, সর্ব থানা- রায়পুর ৯। জসিম উদ্দিন (৬৫), পিতা- আরজুন পাটোয়ারী, সাং- হাসন্দী, থানা- সদর ১০। সফিক পাঠান (৪৫), পিতা- কালু পাঠান, সাং- উত্তর রায়পুর, ৩নং চর মোহনা, থানা- রায়পুর, নাম উল্লেখ করে ১০০জন এবং আরও অজ্ঞাত ৫০০ জন সহ মোট ৬০০জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৪ আগষ্ট ( রবিবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে এগারোটা থেকে শুরু করে ৫ আগষ্ট ( সোমবার) রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকা পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর সদর থানাধীন বাগ বাড়ি শিশু পার্ক গামী রাস্তার প্রবেশ মুখে লক্ষ্মীপুর টু নোয়াখালী গামী রাস্তার উপরে এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সালা উদ্দিন টিপু এর বাসভবনের নিচে এঘটনা ঘটেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীঃ আব্দুল মতিন (৬৫), এর দায়ের করা হত্যা মামলার ঐ এজাহারে বলা হয়েছে যে, বিগত ৪ আগষ্ট সাড়ে এগারো ঘটিকায় লক্ষ্মীপুর ঝুমুর মোড়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠানে ১নং আসামী এমপি নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এর নির্দেশ মোতাবেক ২নং আসামী সালা উদ্দিন টিপু এর নেতৃত্বে আসামীরা উক্ত মিছিল সহ লাঠিসোঁটা, দা-ছেনি, জি আই পাইপ, বোমা, দেশি-বিদেশি আগ্নোয়াস্ত্র পিস্তল, বন্ধুক, রাইফেল, এবং শর্ট গান দিয়া হামলা করে আফনান নামক একজন ছাত্রকে হত্যা করে এবং অসংখ্য ছাত্র জনতাকে গুলি করিয়া কোপাইয়া মারাত্মকভাবে জখম করে। ছাত্র জনতার প্রতিরোধের মুখে ২ নং আসামী সালা উদ্দিন টিপু এর বাসভবনের উপরের ছাদ থেকে টিপু বাহিনী গুলি চালায়। শহীদ আফনান সহ সকল শহীদ হওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার খুনীদেরকে দ্রুত বিচারের দাবী চেয়ে এই হত্যা মামলাটি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর থানার ওসি ইয়াসিন ফারুক মজুমদার মামলার বিষয়রি নিশ্চিত করে বলেন, " খুনীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদেরকে গ্রেফতার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে ইতোমধ্যে দুজনকে সন্দেহাতীতভাবে আটক করা হয়েছে, বাকীদেরকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় সোপর্দ করা হবে। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। "