ঢাকা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
মোহাম্মদপুর সাড়াশি অভিযান,গ্রেফতার ১৫
একুশে পরিবহনে মোটরসাইকেল নিয়ে ধাওয়া,ঘটনাটি ডাকাতি নয় বলছে পুলিশ
পূর্ব শত্রুতার জেরে অটোরিক্সা চালক হত্যা,গ্রেফতার ২
পিলখানা হত্যাকাণ্ড: ক্ষতিপূরণসহ চাকরি পুনর্বহালের দাবি বিডিআর সদস্যদের
ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে নোয়াখালী কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন: ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও হাইড্রোজেন সিলিন্ডার ছিল বিপদের কারণ
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পঞ্চগড়ের বোদায় গুম, খুন, ছিনতাই, ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
ফুলবাড়ী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যদের নিয়ে ঈদ পূর্ণমিলনী
চাঁদাবাজির অভিযোগে কাঁঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে শোকজ
রাজধানীর’ খেতাপুড়ি ‘দখল করেছে পটুয়াখালীর ঝাউবন
ঝিকরগাছায় কিশোরকে বস্তা কিনতে পাঠিয়ে ভ্যান নিয়ে চম্পট
১৭ বৎসর আন্দোলন সংগ্রাম করেছি ,দরকার হলে আবারো নামা হবে: আজিজুল বারী হেলাল
পাঁচবিবিতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত’ মিরসরাই’

স্মরণকালের ভয়াবহ ও আকস্মিক বন্যায় ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ছাড়াও চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা বিপর্যস্ত। ইতোমধ্যে উপজেলার অর্ধেক অংশ বন্যার কবলে পড়েছে। সোমবার (২৬ আগষ্ট) উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষের ভিড়। বন্যায় পানিরবন্দি মানুষদের উদ্ধারে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনীসহ উপজেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ছাড়াও রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে ছাত্রশিবির কাজ করছে।

মিরসরাই উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় উপজেলার করেরহাট, হিঙ্গুলী, ধুম, ওচমানপুর, কাটাছড়া, ইছাখালী, খৈয়াছড়া ও মায়ানী ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য খোলা হয়েছে ৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র। সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব আশ্রয় কেন্দ্রে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা দিতে উপজেলার জোরারগঞ্জ ও করেরহাট ইউনিয়নে দুটি ক্যাম্প করেছে সেনাবাহিনী।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, মিরসরাইয়ে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের জন্য ১৬টি মনিটরিং টিম করা হয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা সম্ভব হয়েছে, আবার অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে আসতে অনিহা বোধ করে। তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে বন্যাদুর্গত মানুষদের সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ টন চাল ও নগদ ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকাজ পরিচালনা, চিকিৎসাসেবা প্রদান ও খাবার পানি সরবরাহে সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন।এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, বাঁশ খালী, পটিয়া, রাউজান, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড থেকে অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গাড়ি নিয়ে আসে এবং বোট নিয়ে বন্যা দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী, ঔষধ ও শুকনো খাবার বিতরণ করে।

শেয়ার করুনঃ