মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ, ঘোড়াঘাট(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একই জমির মালিকানা একাধিক। মালিকানা একাধিক হওয়ায় মানুষের মনে গুঞ্জন ও নানা প্রশ্ন জেগেছে। তবে এই জমি কার?এক পক্ষ মালিকানা দাবী করে অগভীর নলকুপের বোরিং থেকে বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষরা ।৭ আগষ্ট ১০ টায় উপজেলার নুরপুর মৌজায় মোমদে হোসেনের স্থাপন করা বোরিং ভাংচুর সহ সেচ পাম্পের কাজে
ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক মোটর তুলে নিয়ে যায় পতিপক্ষ র্দুবত্তরা।এ বিষয়ে সেচ পাম্পের মালিক নুরপুর গ্রামের মৃত, নায়েব আলীর পুত্র মোঃ মোমদেল হোসেন বাদী হয়েপ্রতিপক্ষের ১৩ জন সহ অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।মোমদেল হোসেনর এজারহার সুত্রে জানাগেছে,দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নুরপুর গ্রামের মৃত, নায়েব আলী ১৯৬৭ সালের ২৮/০৭ ইং তারিখে উপজেলার আফসারাবাদ কলোনী গ্রামের মৃত,সুবেদার সরফরহাদ মুহাম্মাদ সোসেনের পুত্র সুবাদার মুহাম্মাদ সোনের নিকট থেকে খোশ কবলা দলিল মুলে ক্রয় করেন।যার দলিল নং-৭১৩২।ওই ক্রয় করা জমি নায়েব আলী ভোগ দখল করার পর মৃত্যু বরন করেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র মোঃমোমদের হোসেন ওই জমিতে অগীর নলকুপের বোরিং স্থাপন করে সেচ কাজ লিয়ে আসতেছেন।এ মতাবস্থায় উপজেলার আফসারাবাদ কলোনীর মৃত, আঃ মজিদের পুত্ররা ৭ আগষ্ট সকাল ১০টায় ওই জম্অংশসুত্রে মালিকানা দাবী করে মোমদেল হোসেনের স্থাপন করা বোরিং ভাংচুর সহ সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ে
যায়।বোরিং এর মালিক মোমদেল হোসেন জানান, মোমদেল হোনের পিতা নায়েব আলী জীবিত অবস্থায় তিনি তার ক্রয়কৃত জমিতে বোরিং করে সেচ কাজ চালিয়ে আসছিলেন। তার মৃত্যূর পর পুত্র মোমদেল হোসেন বিগত ১৪ বছর থেকে জমিতে পানি সেচ দিয়ে আসছেন। উল্লেখ্য যে, ওই জমি নিয়ে নুরপুর এলাকার মৃত, শুকুর আলীর পুত্র সুরুজ্জামন,সাহেব আলীর পুত্র সাইদুল ও জমসের আলীর পুত্র জহুরুল ওই জমি দাবী করে মোমদেলের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জের ধরে বোরিং ভাংচুর ও একাধিক মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের একাধিক মামলা হয়। মামলাগুলো চলমান রয়েছে। এ কারণে জমিতে আদালত থেকে নিশেধাজ্ঞা দেয়া হয়।তারা নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে
বোরিং ভাংচুর করে।পরর্বতীতে উপজেলার আফসারাবাদ কলোনীর মৃত, আঃ মজিদের পুত্ররা ৭ আগষ্ট সকাল ১০টায় ওই জমি অংশ
সুত্রে মালিকানা দাবী করে মোমদেল হোসেনের স্থাপন করা বোলরং ভাংচুর সহ সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ে যায়।