
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে পোনামাছ অবমুক্তকরণে নানান অনিয়মের আবাস। ২৪ সালের আগষ্ট মাসে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে উপলক্ষে ২২ আগষ্ট ছিল উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পোনামাছ বিতরণ। এতে ৫ ইউনিয়নের বিতরণের কথা থাকলেও দোছড়ি ইউনিয়নের একজন ছাড়া বাকি কেউ পাইনি এই পোনা।
পোনা বিতরণ কালে দেখা গেছে, ভারি বর্ষনের উপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এরেই মাঝে পোনা বিতরণ করার কারনে কয়েকটি ইউনিয়ন থেকে কেউ আসতে পারে নি। তবে অফিসের ক্ষেত্র সহায়ক আবদুল্লাহ বাবু নামের এক কর্মচারীর কথামত তার পছন্দের লোকদের এসব ইচ্ছে মত বিতরণ করেছেন কর্মকর্তারা।
অভিযোগকারীরা আরো জানান, এমন কি তার পছন্দের অনেককে ফোন করে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দিতেও দেখা যায়। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকারিয়া হাতে কিছু পোনা অবমুক্তর পর তিনি চলে গেলেও বিশেষ করে এই অনিয়ম গুলো হয়েছে। ক্ষেত্র সহকারী আবদুল্লাহ বাবু এই প্রতিবেদক কে জানান, মানুষ না আসলে আমরা পোনা গুলো যাকে পাই তাকেই দিয়ে দেব। তিনি কাউকেই তোয়াক্কা করেন না।
দীর্ঘ দিন ধরে তিনি এখানে আছেন। তাই সবাইকে চেনেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মৎস্য খামারি জানান, এই বাবু একই অফিসে দীর্ঘ ২১ ধরে চাকরি রত তাই তার কথায় চলে নাইক্ষ্যংছড়ি মৎস্য অফিস। যেমন পোনামাছ বিতরণের লিস্ট, মৎস্য প্রশিক্ষণ ও খামারিদের সাথে যোগাযোগ।
এবিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাস বলেন, আমি নতুন জয়েন্ট করেছি আর সে (বাবু) পূরানো স্টাফ সে সকলকে চেনেন তাই তার মাধ্যমে সকলের সাথে যোগাযোগ করা হয়। আর বন্যা বা বৃষ্টির জন্য মানুষ আসতে না পারায় অতিরিক্ত পোনাগুলো জলাশয়ে অবয়মুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,গত রোববার থেকে নাইক্ষংছড়ি উপজেলা সহ সীমান্ত জেলা গুলোতে ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ঢলে নিমজ্জিত হয়ে অনেক নিম্নাঞ্চল। তন্মধ্যে
নাইক্ষংছড়ির বিরাট অংশ উপজেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ১৮০ কেজি মাছের পোনা বিতরণ করেন উপজেলা মৎস্য অফিস।
যার সব টুকু সরকারের লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।