ঢাকা, শনিবার, ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ
উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে রোগীদের দূর্ভোগ
চিলমারীতে ঐতিহ্যবাহী অষ্টমির স্নান সম্পন্ন
বিএনপি নেতার ওপর বোমা হামলার প্রতিবাদে কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল
লঞ্চে মুমূর্ষ নবজাতককে মেডিকেল সহায়তা প্রদান করল কোস্ট গার্ড
আমতলীতে লঞ্চ ঘাট ও বাসস্ট্যান্ডে যৌথবাহিনীর অভিযান, জরিমানা আদায়
কালীগঞ্জে আমিনুর রহমান আমিনের গণসংযোগ শুভেচ্ছা বিনিময়
আমতলীতে হামলা, লুট ও পিটিয়ে দোকান দখলের অভিযোগ
দেওয়ানগঞ্জে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ বাবা মৃত্যু
নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের ঈদ পুনর্মিলনী
জামায়াতে ইসলামীতে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ নেই:রফিকুল ইসলাম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করতে হবে
ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাঙ্কচুয়ালিটি’র সম্মেলনের উদ্বোধন
বিরামপুরে আগ্নিকান্ডে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে ডা. শহিদুল আলমের মতবিনিময়
পঞ্চগড় সড়কে বিআরটিএ ও যৌথবাহিনীর অভিযান

উপসহকারী কৃষি অফিসার যখন হোমিও দোকানদার, কৃষক পাচ্ছেনা তখন তাদের ন্যায্য অধিকার

নুরুল আলম:: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা করেন হোমিও দোকান। যার থাকার কথা সারাক্ষন মাঠে ঘাটে। থাকার কথা কৃষকের সাথে তার যোগসাজশ। কিন্তু গুইমারা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুমন করকে চিনেনই না তার গুইমারা ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ নং ওয়াড়র্ের ব্লকের কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা যায় সরকারী বিধি না মেনে গুইমারা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের নিচে আরাধ্যা হোমিও হল নামের একটি হোমিও ঔষধের দোকান খুলে বসেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুমন কর।

অথচ সরকারী চাকুরী বিধিমালার ১৭ নম্বর ধারায় বলা আছে, “কোনো সরকারি কর্মচারী সরকারের অনুমোদন ছাড়া, সরকারি কাজ ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসায় জড়িত হতে পারবেন না। অন্য কোনো চাকরি বা কাজ গ্রহণ করতে পারবেন না। পরিবারের সদস্য অর্থাৎ স্ত্রী-সন্তানও ব্যবসা করতে পারবেন না।” সরকারের নিয়মনীতিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে তিনি করছেন তার হোমিও দোকান।

গুইমারা বুদংপাড়া এলাকার কৃষক মো: মোবারক জানান, শুনেছি আমাদের ব্লকের কৃষি ব্লক সুপারভাইজার নাকি সুমন কর। অথচ আমি সকল সবজি থেকে শুরু করে ধান চাষ করি। শুনেছি সরকার নাকি চাষিদের প্রনোদনা দিচ্ছে কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা এই ব্লক সুপারভাইজারের কারনে কিচ্ছুই পাইনা এবং উনি আমাদের এলাকায় কৃষি পরামর্শের জন্য ও আসেন না।

একই অভিযোগ এই ওয়ার্ডের আবদুর রহমান এবং খোকনের। তারা বলেন উনি সরকারি অফিসার হওয়া সত্ত্বে ও করেন হোমিও দোকান, কৃষকের কাছে আসার সময় কই? গতবার আমাদের জমিতে কারেন্ট পোকায় (বিপিএইচ)হানা দেয়, সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ পেলে আমাদের এই দুর্দশা হতো না। তারা আরো বলেন, উনি নাকি দীর্ঘদিন এই এলাকায় বসবাস করেন এবং দোকান করেন যার ফলে কৃষক তার ন্যায্য অধিকার পাচ্ছে না।

শেয়ার করুনঃ