
সোহেল সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা:-
আমি বাংলাদেশ এই বাধ্যবাধাকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচেষ্টায় অবশেষে জীবনের ঝুঁকি কমাতে এগিয়ে আসতে হলো এলাকার ছাত্র ও যুবকদের আখাউড়া উপজেলার ৪নং উত্তর ইউনিয়ন আজমপুর গ্রামের ভিতরের রাস্তাটি দীর্ঘ দিনের চরম ভোগান্তি ছিল আজমপুর ৭ নং ওয়ার্ডের গ্রামের পথে জরাজীর্ণ একটিরাস্তা । ইউনিয়নের আজমপুর পূর্ব ওয়ার্ডের মানুষ এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। ভাঙাচোরা গর্ত রাস্তা দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করতো। এলাকার স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও বয়োজ্যেষ্ঠরা সহ বিভিন্ন ইঞ্জিন ও ব্যাটারি চালিত যানবাহন অনেক সময় নানা দূর্ঘনার শিকার হয় তারা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কাছে এলাকাবাসী অনেকবার ধরনা দিয়েও নানান আশ্বাসের পরও এই রাস্তাটি আজ অবধি সংস্কার কিংবা নির্মাণ হয়নি। উপায়ান্তর না পেয়ে এলাকার ছাত্র ও যুবকরা শেষ পর্যন্ত নিজেদের শ্রম টাকায় ইট শুকরিয়া দিয়ে গর্ত হয়ে যাওয়া এবং বিপদজনক জায়গাগুলো নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে কেউ পরিশ্রম কেউ টাকা দিয়ে করেছে স্থানীয়রা। স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ও যুবকদের এমন মহান উদ্যোগ এরই মধ্যে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এলাকার কৃতি সন্তান এডভোকেট মো:পারভেছ মিয়া (বাপ্পি) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বলেন আমাদের কষ্টের টাকা দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছ থেকে আমরা কোনো সহযোগীতা পাইনি। এ কাজের উদ্যোক্তা,-১.মো: সাইফুল ইসলাম সমাজসেবা অফিসার,কোলাউরা,মৌলভীবাজার তার সহযোগিতায় রাস্তাটি মেরাম করা হয়।
আজমপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদে এক অভিভাব বলেন জরাজীর্ণ রাস্তাটি দিয়ে স্কুলে বাচ্চাদের পাঠাতে খুব ভয় হতো এখন স্কুলে যেতে আমাদের বাচাতে কোনো অসুবিধা হবে না।ভবিষ্যতে স্থায়ীভাবে পুনরায় টেন্ডার করে রাস্তাটি তৈরি করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানায়।
এ কাজে সহযোগিতা করেন সাবেক মেম্বার জাহঈীর,রিদয়,বাবু,বিনামিন,ফয়সাল,শাওন,মাসুম,শাহিন,আশরাফুল,সপ্ন,সাকিব,সাফায়েত,ইনজাম, মাইনুদ্দিন আরও অনেকেই
সাবেক জাহঈীর বলেন, আমার এই এলাকার মানুষগুলো অত্যন্ত ভদ্র এবং সভ্য প্রকৃতির লোক কোনো জনপ্রতিনিধি বা সরকারের কাছ থেকে এক টাকাও অনুদান পায়নি। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নেতৃবৃন্দের কাছে দাবি জানাচ্ছি রাস্তাটি ভেঙ্গে পড়ার আগেই যেন সরকারিভাবে নির্মাণ করে দেওয়া হয়।