
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম নলবুনিয়া গ্রামে শ্যালো
ইঞ্জিনের মিন্ত্রী ফিরোজ খন্দকারের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া
গেছে। এসময় হামলায় জখম হয়ে ফিরোজ খন্দকার পঙ্গু হবার আশঙ্কায় রয়েছেন।
শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাংবাদিকদের কাছে ফিরোজ খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব
শক্রুতার জের ধরে গত ১০ আগষ্ট দুপুরে প্রতিপক্ষের লোকজন তার বসতঘরের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে অচেতন অবস্থায় পেলে রেখে
যায়। কয়েকদিন বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পরে চিকিতসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে বিশ্রামে আছেন ফিরোজ খন্দকার।
তিনি অভিযোগ করে জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মোশাররফ খন্দকার (৫০), তার ছেলে হাসিব খন্দকার (২২) আবু আনসারী খন্দকার (২৫) সেলিম খন্দকার (২৫), সাবিনা, খালেদা, রাবেয়াসহ
আরো কয়েকজন বহিরাগত লোক নিয়ে পরিকল্পিতভাবে অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ঘরে হামলা
চালায়। ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে এলোপাথারি পিটান ও কোপ শুরু করে। এ সময় ঘরে থাকা টাকা ও সোনার গহনা লুটে নেয়। প্রতিবেশিরা ধারালো অস্ত্রের সামনে কেউ আসতেও সাহস পায়নি। মৃত নিশ্চিত ভেবে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে তারা প্রতিবেশীদের বিভিন্ন রকমের হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে তাকে রাজাপুর হাসপাতালে নেয়। সেনাবাহিনীর সদস্য হামলার খবর পেয়ে হাসপাতালে তাকে আমাকে এমন রক্তাক্ত দেখে তারাও হতভম্ব হয়ে যায়। তাকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। বর্তমানে প্রতিপক্ষের হুমকিতে পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি। হামলার পর
থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের মতামত পাওয়া যায়নি।
রাজাপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এখনও কেহ বিষয়টি লিখিতভাবে জানায়নি।