
পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলায় আ’লীগ নেতা চাঁদা চেয়ে বিএনপির এক নেতার উপর দায় চাপানোর অভিয়োগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ৭ নং সেখমাটিয়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে।১২ আগষ্ট সোমবার সেখমাটিয়ার বাবুরহাট বাজারের স্বাধীন দাসের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচীব মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির।এ সময় স্থানীয় প্রায় শতাধীক হিন্দু সম্প্রদায় সহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জহির বলেন, গতকাল রাতে স্থানীয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাজরা স্বাধীন দাসকে নিয়ে আমার নামে একটি মিথ্যা ভিত্তিহীন চাদাবাজীর ভিডিও তৈরী করে স্যোসাল মিডিয়া সেফবুকে ছেড়ে দেয়। ভিডিওতে দেখা যায়,মাসুদ বলে আমি স্বাধীন দাসের নিকট ৫০ হাজার টাকা চাদা চেয়েছি, কিন্ত স্বাধীন তিনি নিজেই ভিডিওতে বলেছেন যে সে আমার কাছে কোন চাদা চায় নাই, কিন্তু ওই আ’লীগনেতা আমার ক্লিন ইমেইজ নষ্ট করারর জন্য এ প্রোপাকান্ডা চালাচ্ছে, আমি কারো কাছে কোন চাদা চাইনি। মাসুদ আমার নাম ভাঙ্গিয়ে ওই হিন্দু লোকটার নিকট চাঁদা দাবী করে, কারন মাসুদ স্বাধীনের সাথে পাটনারে ব্যবসা করে যাতে ভয়ে ব্যবসা ছেড়ে পালিয়ে যায়।সাংবাদ সম্মেলনে স্বাধীন বক্তব্যে বলেন,আমার নিকট জহির কোন টাকা পয়সা বা চাদা চায় নাই, এটা মিথ্যা ভিত্তিহীন, জহির আরো আমাদের মায়ের কোলের স্থান দিয়েছে, তার লোকজন এবং সে আমাদের ধর্মীয় উপাশনালয় মন্দির, এবং ঘড় বাড়ি সাড়া রাত পাহাড়া দিয়ে রাখে, আমরা এ গ্রামের হিন্দুরা সবাই ভালো আছি শান্তিতে আছি।এসময় স্থানীয় সজল চক্রবর্তী, আশিষ চক্রবর্তী, তারক দত্ত, পরিতোষ শিল পৃথক পৃথক বক্তব্যে বলেন এখানকার আমরা হিন্দুরা যারা আছি সবাই শান্তিতে বসবাস করছি,এখানকার মুসলমানরা আমাদের আগ্লে রাখছে, আমাদের মন্দির বাড়ি ঘড় সাড়া রাতভর পাহারা দেয় এই জহিরের নেতৃত্বে। জহিরের উপর যে অভিযোগ রয়েছে এটা মথ্যা ও ভিত্তিহীন।এ বিষয়ে মাসুদ হাজরার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন জহির ভাই আমার মাধ্যমে স্বাধীন দাসের নিকট চাদা চাইছে, স্বাধীন দাস আমার ব্যবসায়ীক পাটনার, এ ভিডিওটি কিভাবে ফেসবুকে গেছে তা আমি জানি না, এবং আমি আ’লীগের রাজনীতির সাথে সস্পৃক্ত নাই।