
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের প্রবেশ প্রধান সড়কের এক’পাশে ডিসি, এসপি ও জেলা জজের বাংল আর এক পাশে অবকাশ ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের বাংলো এখানে স্মৃতিসৌধ ফারুকী পার্ক স্কুল কলেজ ফ্লাইওভার ও বিভিন্ন দেওয়াল দেওয়ালে আলপনার মাধ্যমে রং তুলি দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন যেন এক নতুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাতোয়ারা শিক্ষার্থীরা কয়েকদিনের এ চিত্র ডিসি,এসপি অবকাশ সীমানা প্রাচীরসহ বিভিন্ন দেয়ালে ছবি আখে বুকটাউন করে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছেলে বৈষম বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজপথে শহীদ হওয়া মুগ্ধ পানি লাগবে পানি, বাংলাদেশের মানচিত্র জাতীয় পতাকা, শহীদ ছাত্রদের নিয়ে ছবি কিছু কথা মাদ্রাসার ছাত্রদের হাতে নিপুন আরবি হরফে লেখা এরকম বেস কিছু ছবি সহ সচেতনতামূলক কিছু লেখা লিখছেন দেওয়ালে।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই সকাল থেকে সারাদিন ভর শতাধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন রাস্তাঘাট পাড়া মহল্লা ময়না পরিষ্কার করেন।
বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ ময়লা পরিষ্কার করেন শিক্ষার্থীরা পুলিশকে অভয় দেন, কাজে যোগ দিয়ে মানুষের সেবা করার অনুরোধ জানান।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সরকার পতনের পর থেকে শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রাস্তায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা সহ তারা পরিষ্কারের কাজ করেন। রাজনৈতিক দলের মতো শুধু স্লোগান, মিছিল, মিটিং নয়-দেশ গড়ার ‘দায়িত্ব’ নেওয়া শিক্ষার্থীরা যেন মেতেছেন শুভ কাজে। কেউ গাছ লাগাচ্ছেন তো কেউ সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে তারা ছুটে যাচ্ছে সরকারি অফিসগুলোতে। খোঁজ রাখছেন বাজার দরের।
দেয়ালে দেয়ালে লিখে দিচ্ছেন নানা ধরনের শান্তির বাণী। অংশ নিচ্ছেন পরিচ্ছন্নতার কাজে।দায়িত্ববোধ থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিক্ষার্থীরা। মূলত কোটাবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীরা সহ সকল শিক্ষার্থীরাই এসব ভালো পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাদের এ পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ সাড়া পড়ছে। অনেকে সহায়তাও করছেন।