লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা পৌর শহরে ব্যাবসায়ীদের থেকে চাঁদাবাজি ঠেকাতে মাঠে কাজ করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রায়পুর উপজেলার দায়িত্বশীলরা।
৭ আগষ্ট ( বুধবার) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৌরসভার বিভিন্ন অলিতে-গলিতে ব্যাবসায়ীদের চাঁদাবাজদেরকে কোন চাঁদা না দিতে বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিজয় দিবসের পরের দিনই রায়পুর পৌর শহরের কয়েকজন ব্যাবসায়ী গণমাধ্যমকে জানান কয়েকজন সন্ত্রাসী তাদের কাছে ৫ লক্ষ টাকা করে চাঁদা দাবী করে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে । তবে ব্যাবসায়ীরা এখনো চাঁদাবাজদের কারো নাম চিহ্নিত করতে পারেন নি। বিষয়টি নিয়ে অনেকেই ভয়ে দোকানপাট বন্ধ করে রাখছেন। তাই দোকানদারদের মনে সাহস যোগাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রায়পুর উপজেলার নেতাকর্মীর ব্যাবসায়ীদের পাশে আছে বলে ভয় না পাওয়ার জন্য আশস্ত করে নিয়মিত দোকানপাট খুলতে বলেন।
এ বিষয়ে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান খান বলেন, কোন চাঁদাবাজকে এক টাকাও চাঁদা দিবেন না এবং কোন গাড়ির ড্রাইভারও এখন থেকে কোন পৌর টোল দিবেন না। কেউ যদি চাঁদা দাবী করে তাহলে তাকে আটক করে বা চিহ্নিত করে আমাকে জানাবেন তৎক্ষনাৎ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। " গত মঙ্গলবার লুটপাট, চাঁদাবাজি, ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট সহ সকল ধরনের অপরাধ দমনের জন্য জামায়াত, বিএনপি, সমন্বয়ক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতামত নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা জামায়াতের আমীর নাজমুল হুদা, এডভোকেট আব্দুল্লাহ আউয়াল রাসেল, জেলা শূরা সদস্য অধ্যাপক মনির আহমদ, মাস্টার ইসমাইল, উপজেলা সহ সেক্রেটারি আবুল কাশেম সহ দায়িত্বশীলরা এবং রায়পুর প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।