
জীবিকার তাগিদে রাস্তার পাশে ছোট একটি টং দোকানে চা বিক্রি করছেন বৃদ্ধ আহছান উল্যা।পুঁজির অভাবে দোকানে নেই তেমন কোন মালামাল। এই সামান্য আয় দিয়েই চলছে খেয়ে না খেয়ে পাঁচ সদস্যর পরিবারের দিনকাল। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উদমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের এই চা দোকানটিই পরিবারের একমাত্র জীবিকার অবলম্বন।
চা দোকানি আহছান উল্যার দুই মেয়ে এক ছেলে। বড় মেয়ের বিয়ে হলেও ছোট মেয়েটি উদমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ছে, আর একমাত্র ছেলেটিও একই বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়ছে।ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার খরচ ও পরিবারের ভরণ পোষণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।লোক লজ্জার কারনে কারও কাছে নিজের অভাব অনটনের কথা বলতেও পারছেন না।
বুধবার দুপুরে তার দোকানে চা পান করার সময় জানতে চাইলে বলেন, আমাদের কষ্টের কথা কার কাছে বলবো?আমার ছেলেমেয়ে গুলো দেরীতে জন্ম হয়। তাই ওরা এখনো পড়ালেখা করছে।
পরিবারে আয় রোজগার করার মত কেউ নেই। পুঁজির অভাবে দোকানে ভালো ভাবে সদাই তুলতে পারিনা। তাই ব্যবসাও কম।
জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের হৃদয়বান মানুষের একটু সহানুভূতি বৃদ্ধ আহছান উল্লার জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে পারে।