
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা বিটঘর ইউনিয়নের ভদ্রগাছা গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।শুক্রবার (০২/০৮) নবীনগর স্থানীয় ডাকবাংলো প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির নবীনগর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি মো. খোরশেদ আলম (৫০) ইতিপূর্বে তার ছোট ভাই মোরশেদ আলমের করার সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে পাল্টা জবাব দেন। এ সময় তার সাথে স্ত্রী কন্যা ভাই সালমান জমাদ্দার উপস্থিত ছিলেন।তিনি বলেন, আমার যখন মাত্র ১০ বছর বয়স তখন আমার বাবা মো: আবদুর রহমান মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর আমার চাচা মৃত আব্দুল আলিম সাহেবের সাথে আমার মা’র দ্বিতীয় বিবাহ হয়।তারা ৪ভাইয়ের মধ্যে খোরশেদ আলম ও মোরশেদ আলম একই বাপের সন্তান এবং মায়ের নতুন সংসারের সালমান জমাদ্দার ও আলাউদ্দিন জমাদ্দার নামে আমার দুই ভাই। কিন্তু আমার নতুন বাপ আমার মায়ের ও তার ঔরসজাত দুটি সন্তানের ভরণপোষণ দেননি।উল্টো আমার মায়ের সম্পত্তি তার নামে নিয়ে ১স্ত্রী কে নিয়ে কুমিল্লা চলে যান।তারপর থেকে আমি মা ও ৪ ভাইসহ সংসারের দায়িত্ব নেই।বিদেশে শারীরিক পরিশ্রম করে সংসার চালাই এবং সালমান জমাদ্দার ও আলাউদ্দিন জমাদ্দারকে বিদেশে পাঠাই।নিজের কষ্টের টাকায় সহায় সম্পত্তি করি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমি তার জমি দখল করেছি কিন্তু আমি তার কোন জমি-জমা দখল করি নাই। এর স্বপক্ষে সে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। দ্বিতীয় অভিযোগ ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত আশি লক্ষ টাকা (৮০) দিয়েছে কিন্তু এর কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।৩য় অভিযোগ তাদের হয়রানি করছি। অথচ তারা আক্রমণ করে আমাদের উপর। সেই মারধরের পুলিশ সেই মোরশেদ ও তার ছেলে আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠায়। আমি মাকে আমার নিজের টাকায় জমি কিনে দিয়েছিলাম সেই বিক্রি করে মা আমাকে হজের জন্য টাকা দেয় মা ও স্ত্রী নিয়ে হজে যাব। আমার মান-সম্মান হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ অভিযোগ করা হয়েছে।উল্লেখ গত বুধবার সন্ধ্যায় মোরশেদ আলম
তার ভাই মো. খোরশেদ আলমের (৫০) বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও প্রতারণা অভিযোগ তুলেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে আব্দুর রহমান (১৬) ও তার মা আম্বিয়া বেগম (৬৫) ভাই কুয়েত প্রবাসী মো. আলাউদ্দিন জমাদ্দার (৩৮)।