
পটুয়াখালীর জৈনকাঠী ইউপির প্রয়াত আবদুল মান্নান গাজীর স্ত্রী মোসাঃ সোনাবান বেগম সংবাদ সম্মেলন করেছেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে। তার এ সংবাদ সম্মেলন উক্ত ক্লাবে ২৮ জুলাই রবিবার বেলা ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার স্বামীর এক বোন। উক্ত লিখিত বক্তব্য পাঠ করাকালীন জানা যায়, প্রয়াত আবদুল মান্নান গাজী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এ বীর মুক্তিযোদ্ধার এক সন্তান জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ১টি গার্মেন্টেসে চাকুরী করে। সে তার পৈত্রিক ভিটায় ১ টি ঘর তোলার উদ্যােগ গ্রহণ করে ২৬ জুলাই শুক্রবার। তখন জমিতে সীমানা নির্ধারণে গেলে বিবাদীগন (১) নান্নু গাজী,(২) বাবুল গাজী, উভয় পিতা -মৃত কোব্বাত গাজী,(৩)মোঃ হাবলু গাজী, পিতা -মৃত সামসু গাজী (৪) মোঃ রাসেল (৫)মোঃ রাহাত গাজী,উভয় পিতা- নান্নু গাজী, (৬)রিপন গাজী, (৭) মোঃ হাসান গাজী, উভয় পিতা – হাবলু গাজী সর্ব সাকিন সেহাকাঠী সহ তাদের নিকট আত্নীয় -স্বজনরা উক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার পুত্র- কন্যাদের উপর অতর্কিত আক্রমণ করে এবং মারধর করে। পরে আহতরা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় এবং পটুয়াখালী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। এ বিষয় মুঠোফোনে জানতে চাইলে মোঃ হাবলু গাজী বলেন, প্রথম বার আপনি ফোন দিয়েছেন কেনও, আপনার যা করার করেন। ২য় বার তিনি এ প্রতিবেদক কে ফোন দিয়ে বলেন ঐ জমিতে ইনজাংসন জারী আছে, তাদের ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছে এই বলে সে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান গাজীর স্ত্রী, সন্তান, বোন ও অন্যান্য আত্মীয়- স্বজন এবং পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দরা। প্রসঙ্গত: বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান গাজীর পরিবারের বিরুদ্ধে বিবাদী হাবলু গাজী, নান্নু গাজী ও বাবুল গাজী বাদী হয়ে তিন টি মামলা করেছেন বিগত দিনে।উক্ত মামলা নং – (১) এম,পি-৭৫/২০২৩, এম,পি-৭৯৬/২০২২ ও দেওয়ানী-৮৭৪/২০২১।