ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের সরকারি ফেরি ফেরিভূক্ত বাশঁহাটি বাজারটি ভেঙ্গে দেওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি ক্ষুব্দ হয়েছেন এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীবৃন্দ। এতে করে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে ওই বাজারের সকল ব্যবসায়ীবৃন্দ ও এলাকার জনগণ। জানাগেছে, দেড় যুগ ধরে বাশঁহাটি বাজারটি সরকার খাস কালেকশন সহ ইজারা পত্তনের আওতায় ছিল। উক্ত ফেরি ফেরি বাজারটিতে ৩৪ শতাংশ জমি সরকারের নামে বিদ্যমান রয়েছে। ফলে বাজারটির জন্মলগ্ন থেকে ইজারা পত্তন ও খাস কালেকশন করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৫ সন থেকে ২০২৪ সন পর্যন্ত বাজারটিতে প্রতি বৃহস্পতিবার গো-হাট অর্থাৎ গরু-ছাগল বেচাঁ-কেনায় সাধারন জনগন, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর বিশ্বস্ত বাজার হিসাবে সুনাম অর্জন করে আসছিল। তবে মামলার জটিলতার কারনে উক্ত বাজারটি ইজারা ডাক না হলেও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় যথারীতি খাস কালেকশন চলমান ছিল। যা নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসারের দায়িত্বরত পূর্বের কর্মকর্তা বিষয়টি অবহিত ছিলেন। কিন্তু একটি অসাধু সিন্ডিকেট তাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য উক্ত বাশঁহাটি গো-হাট বাজারটি ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য প্রশাসনকে অবহিত করলে, স্থানীয় প্রশাসন কারনেই গত বৃহস্পতিবার উক্ত গো-হাট বাজারটি ভেঙ্গে দেয়। দীর্ঘদিনের চলমান বাজারটি এভাবে ভেঙ্গে দেওয়া বেআইনী ও অযৌক্তিক বলে মনে করছেন এলাকার জনগণ। এছাড়া বাজারটি ভেঙ্গে দেওয়ায় সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে। বাশঁহাটি বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী এই প্রতিবেদককে জানান, স্থানীয় প্রশাসন অজ্ঞাত কারনেই বাঁশহাটি গো-হাট বাজারটি ভেঙ্গে ফেলায় একটি অসাধু সিন্ডিকেট পাশর্^বর্তী নান্দাইল চৌরাস্তা বারুইগ্রাম বাজারে মহাসড়কের পাশে সওজের জায়গা দখল করে নতুন করে একই দিন ধার্য রেখে নতুন গো-হাট বাজার বসিয়েছে। সরকারের অনুমোদহীনভাবে মহাসড়কের পাশে অবৈধ গো-হাট বাজার বসানো, তাও আবার সওজের জায়গা দখলের বিষয়টি সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো। এছাড়া নান্দাইল চৌরাস্তা বারুইগ্রাম বাজারটি সরকারি ফেরি ফেরিভূক্ত কোন বাজার নয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি সহ বাশঁহাটি বাজারটির পুনরুদ্ধার করার জোর দাবী জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার অরুণ কৃষ্ণ পাল বলেন, বাশঁহাটি বাজার গো-হাট অবৈধ থাকায় তা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নান্দাইল চৌরাস্তা বারুইগ্রাম বাজারে নতুন গো-হাট বাজার বসেছে শুনেছি, তাঁরও কোন অনুমোদন না থাকায় এটিও অবৈধ। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।